চট্টগ্রামে পানির সংকট নিরসন করেছে সরকার : মন্ত্রী তাজুল ইসলাম

চট্টগ্রামে পানির সংকট নিরসন করেছে সরকার : মন্ত্রী তাজুল ইসলাম

হুমায়ুন কবির, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে পানির সংকট নিরসন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। জোট সরকারের আমলে চট্টগ্রাম নগরীরতে ৪০% মানুষ পানি পেতো না। ২০০৮ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পানি সংকট নিরসন হয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীতে ১০০% ভাগ পানির ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য পানি শোধনগার স্থাপন করা হয়েছে। 

শনিবার নগরীর রেডিসন ব্লু  চট্টগ্রাম বে ভিউ’র মেজবান হলে চট্টগ্রাম মহানগরীর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা স্থাপন প্রকল্প ( ১ পর্যায়) এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এ মন্তব্য করেন। 

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসার আরও ৫টি প্রকল্প গ্রহণ করা হবে যার প্রতিটির ব্যয় ৪ থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী দেশের সকল সমস্যা সমাধান করে উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প দিচ্ছেন  এবং সেগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। 

তাজুল ইসলাম বলেন, দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।  গুণগত কাজ ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের পরিবর্তন এসেছে। সামনে আরো পরিবর্তন আসবে। আমাদের আগে লক্ষ্য ছিল এমডিজি (মিলিনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল)। তা অর্জন করেছি। এসডিজি-৪ (সাসটেইনেবল ভেভেলপমেন্ট গোল) প্রকল্পে ২০৩০ সালের মধ্যে পানি ও সেনিটেশন নিশ্চিত করতে চাই।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম শহরে পানি সরবারহ ব্যবস্থা সন্তোষজনক হলেও স্যানিটেশন অবকাঠামোর যথেষ্ট অভাব রয়েছে। নগরীতে স্যানিটেশন সুবিধাদি নিশ্চিত করার লক্ষে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকল্পটি ৬ ভাগে ভাগ করে বাস্তবায়ন করা হবে। ৫ বছর মেয়াদি  প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে ব্যয় হবে ৩ হাজার ৮০৮ কোটি ৫ হাজার ৮৭৭ লাখ টাকা।  

প্রকল্পটি নগরীর উত্তর হালিশহর, নয়াবাজার, রামপুর, পাহাড়তলী, আমবাগান, লালখান বাজার, আসকারদিঘী, কোতোয়ালি, ফিরিঙ্গি বাজার, সদরঘাট, দক্ষিণ আগ্রাবাদ, সল্টগোলা ক্রসিং এলাকাগুলোতে বাস্তবায়ন হবে। এই প্রকল্পের ফলে নগরীর ২০ লাখ মানুষ সুবিধা ভোগ করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম,চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. জহিরুল ইসলাম, ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম ফাজলুল্লাহ, মালেশিয়ার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান জেবি এরিঙ্কোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তনুশ্রী আই আর জাহেদ ইবনে আহমেদ লাদেন প্রমুখ।