ঢাকা-৫ আসনে রিপনকে নৌকার প্রার্থী করার জোড় দাবী

ঢাকা-৫ আসনে রিপনকে নৌকার প্রার্থী করার জোড় দাবী

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা-৫ আসনে উপ-নির্বাচনের আলোচনা সভায় রিপনকে নৌকার প্রার্থী করার জোড় দাবী জানিয়েছেন  আওয়ামী, শ্রমীকলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। 

আজ শনিবার বিকেলে ডেমরার সারুলিয়া বাজারের পাশে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী ও আলোচনা সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন কে নৌকার প্রার্থী করার এ দাবী করা হয়।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাসুম বিল্লাহ।  

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুল হাসান রিপন  বলেন,  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকেই সক্রিয়ভাবে মাঠে থেকে কাজ করেছি। লিফলেট বিতরণ থেকে শুরু করে বিনামূল্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সুরক্ষা মাস্ক, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি পবিত্র রমজানে ইফতার বিতরণ এবং হতদরিদ্র-মেহনতি মানুষের ঘরে ঘরে ঈদ উপহার পৌঁছে দিয়েছি। শেখ হাসিনার নির্দেশে করোনা মোকাবেলায় এখনও মানুষের সেবা করে যাচ্ছি। যতদিন করোনাভাইরাস থাকবে ততদিন আমরা মানুষের সেবা করে যাবো ইনশাআল্লাহ।’

স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের এই শীর্ষ নেতা এসময় আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। এরপর জীবনের ঝূঁকি নিয়েই নেত্রীর নির্দেশ বাস্তবয়ান করেছি। আমার সঙ্গে এক ঝাঁক তরুণ, সাবেক ছাত্রনেতা, আওয়ামলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মী সার্বক্ষনিক মাঠে ছিল। সেই সময়ে কাউকেই এই এলাকায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখিনি। কিন্তু আমি আপনাদেরই সন্তান। সেই শৈশব থেকেই আপনাদের পাশে ছিলাম এখনও আছি এবং ভবিষ্যতেও আপনাদের পাশে থাকবো। সেজন্য আপনাদের সকলের দোয়া এবং সহযোগীতা চাই।’

তিনি বলেন, ‘ছাত্রজীবন থেকেই সাধারণ মানুষের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি আমি। এখানে অনেক মুরুব্বী রয়েছেন যারা আমার সম্পর্কে জানেন। মাস্তান, সন্ত্রাস, ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজদের বিপক্ষে আমার সংগ্রাম সেই ছাত্রজীবন থেকেই। অনেকেই রাজনীতি করে পকেট ভারী করার জন্য। মাস্তানি-সন্ত্রাসীর মাধ্যমে নিজেদের অধিষ্ঠিত করার জন্য। কিন্তু আমি রাজনীতি করেছি মানুষের সেবা করার জন্য, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। নিরীহ মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করাই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। তাই আমার বিশ্বাস আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলে নৌকাকে বিশাল ভোটে জয় উপহার দিতে পারবো। শুধু তাই নয়, অত্র এলাকার জনসাধারণ এখনও অবহেলিত। বিভিন্ন ধরণের সামাজিক প্রতিকূলতা লক্ষণীয়। কাঁচা রাস্তা, ড্রেনেজ সিস্টেমে সমস্যা। অনেক কারখানা রয়েছে যারা বর্জ্য ফেলে পরিবেশ নষ্ট করছে। আমি এগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিবেশ দূষণ রোধ করতে চাই। 

এছাড়া অত্র এলাকায় নেই কোন উন্নতমানের আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার। তাই আমার বিশ্বাস এমপি হতে পারলে আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে অনেক বড় বাজেট এনে সেগুলো নিরসনে কাজ করতে পারবো। পাশাপাশি সকল সমস্যা যাচাই বাছাই করে তা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সমাধান করা হবে। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ এমনকি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিআলো/ইসরাত