নাগালের বাইরে সবজির বাজার:দিশেহারা মধ্যবিত্ত পরিবার

নাগালের বাইরে সবজির বাজার:দিশেহারা মধ্যবিত্ত পরিবার

মোঃ মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে ক্রমাগত হারে বেড়েই চলেছে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম। কোনো সবজি ৫০ টাকার নিচে নেই বললেই চলে। উপজেলার পাইকারি বাজার রয়েছে বগুড়া শেরপুর এলাকায়। সেখান থেকে পাইকারি দোকানিরা সবজি কিনে উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে খুচরা বিক্রেতাদের নিকট বিক্রি
করছেন।

খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজি বিক্রি করছেন কাঁচামরিচ ২৪০টাকা, আলু দাম যদিও সরকার নির্ধারিত করেছেন ৩০টাকা কিন্তু খুচরা বিক্রেতা সবজির দাম বেশি কেনার অজুহাতে বিক্রি করছেন ৪০ থেকে ৪৫টাকা।

এব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলার অধিকাংশ খুচরা ব্যবসায়ী বলেন, আমরা পাইকারি আলু বেশি দামে কিনেছি বিধায় বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আশা করি আগামী দুয়েকদিনের মধ্যেই সরকারী নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করতে পারবো। এদিকে বেগুন, পটল ৭০ থেকে ৮০ টাকা, শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পেঁপে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁয়াজ ৮০ থেকে ১০০ টাকা (দেশি) ও টমেটো ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নতুন আসা ফুলকপি, পাতাকপি সাইজে ২৫০ গ্রাম হলেও দাম তার আকাশ ছোঁয়া যেমন ৮০ থেকে ১০০টাকা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়, ৫০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই বললেই চলে।

উপজেলার একাধিক খুচরা বিক্রেতারা জানান, এবছর বার বার অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে অনেক নিম্নাঞ্চলে সবজি পানিতে ডুবে পচে গেছে। কাঁচা মরিচের গাছও মরে গেছে। বাজারে সরবরাহ কম থাকায় প্রতিটি সবজির দাম বেড়েছে। আমরা বেশি দামে সবজি কিনি, তাই বিক্রিও করতে হয় বেশি দামে। উপজেলার ব্যপারী জানান, মোকামে কাঁচা তরকারির সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণে সবজির দাম বাড়তির দিকে। তবে আগাম জাতের নতুন সবজি বাজারে এলে পুনরায় সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে।

বিআলো/শিলি