পদ্মা পাড়ের সক্রেটিস হরিপদ সুত্রধর

পদ্মা পাড়ের সক্রেটিস হরিপদ সুত্রধর

আবিদ হাসান, (হরিরামপুর) মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:  হরিপদ সূত্রধর এক অপূর্ব আলোকস্তম্ভের নাম। পদ্মার ভাঙ্গনে বিপর্যস্ত এক করুণ মায়াময় অঞ্চল হরিরামপুর। মানিকগঞ্জ জেলার পদ্মাবিধ্বস্ত এই জনপদে একসময় অভাব, দারিদ্র্য, দু:খ-হাহাকার ছিল নিত্যসঙ্গী। এ রকম অঞ্চলে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চাকে এক ধরণের বিলাসিতা মনে হলেও বিস্ময়করভাবে সেখানকার মানুষ দারুন সংস্কৃতিপ্রেমী। লোকায়ত সংস্কৃতির চর্চা তো ছিলই, কতিপয় অগ্রসর মানুষের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল নাগরিক সংস্কৃতির চর্চাও। আর সেই চর্চার কেন্দ্রে ছিল ১৯১৫ সালে উপজেলা সদরে প্রতিষ্ঠিত পাটগ্রাম অনাথবন্ধু সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং একজন শ্রী হরিপদ সূত্রধর।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন: মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার হরিণা গ্রামে (বর্তমানে পদ্মাগর্ভে বিলীন) ১৯৪৬ সালে এক কাঠমিস্ত্রি পরিবারে হরিপদ সূত্রধর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পাটগ্রাম অনাথ বন্ধু হাইস্কুল থেকে ১৯৬১ সালে ম্যাট্রিক, ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ থেকে ১৯৬৩ সালে এইচএসসি এবং একই কলেজ থেকে ১৯৬৫ সালে বিএ পাস করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকা টিটি কলেজ থেকে বিএড পাস করেন। তিনি ছাত্রজীবনে মৌলভী আব্দুল কাদের, বীরেন্দ্র কুমার বসু, সফিউদ্দিন মল্লিক, আব্দুল হাকিম (তেরশ্রী) ইয়াকুব আলী, আলীমুজ্জামান চৌধুরী, আ.ন.ম. বজলুর রশীদ-এর মতো মহান শিক্ষকমণ্ডলীর সান্নিধ্য পেয়েছেন।

হরিরামপুরের রামকৃষ্ণপুর জুনিয়র হাইস্কুলে ১৯৬৫ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর কর্মজীবনের শুরু। এরপর পাবনার ধোবাখোলা হাইস্কুল এবং পরবর্তীতে ১৯৭০ সাল থেকে ২০০৩ সালের ৯ জুন অবসর গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত পাটগ্রাম অনাথ বন্ধু সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি হরিরামপুরের খালপাড় বয়ড়া গ্রামে বসবাস করছেন।

শিক্ষক হরিপদ সূত্রধর: ১৯৬০ এর দশকে পাটগ্রাম অনাথবন্ধু সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন এক তরুণ শিক্ষক- শ্রী হরিপদ সূত্রধর। প্রায় ৪০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে তিনি তাঁর ছাত্রছাত্রীদের হৃদয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছেন হিরন্ময় প্রদীপ। হরিপদ সূত্রধর কোন সাধারণ শিক্ষক ছিলেন না, প্রাচীনকালে যে সকল আদর্শ শিক্ষকের গল্প মানুষের মুখে মুখে ফিরতো তিনি ছিলেন সেইরকম একজন। যেটুকু শেখাতেন তিনি, সেটুকু পরিপূর্ণভাবেই শেখাতেন। তিনি উদার মানবতায় বিশ্বাসী একজন উঁচুমাপের মানুষ। সিলেবাস মেনে শ্রেণিকক্ষের বই পড়ানোর বাইরেও সমাজ-রাষ্ট্র, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ইত্যাদি নানা বিষয়ে তাঁর দার্শনিক দ্যুতিসমৃদ্ধ মন্তব্যগুলো শিক্ষার্থীদের সামনে মণিমুক্তোর মতো ঝরে পড়তো। আর যারা সেসব কুড়োতে পারতো তারা যেন বয়সে অপরিণত হয়েও হয়ে উঠতো পরিণতমনস্ক। তিনি স্বউদ্যোগে নানাধরণের বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করতেন। বড় কিছু ভাবতে শেখাতেন। বড় কিছু করবার স্বপ্ন দেখাতেন। সংস্কৃতিচর্চার সাথে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করার কাজটি তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে করে চলেছেন জীবনভর।

নাট্যজন হরিপদ সূত্রধর: হরিপদ সূত্রধর সবচেয়ে বেশি নিবেদিত থেকেছেন নাট্যচর্চায়। নিজেই নাটক লিখেছেন। নির্দেশনা দিয়েছেন। এমনকি অভিনয়ও করেছেন। হরিরামপুরে নাটক মঞ্চায়নের স্থায়ী মঞ্চ না থাকায় স্কুলের হলঘরে বা খোলা মাঠে অস্থায়ী মঞ্চ বানিয়ে তাতেই নাটকগুলো মঞ্চস্থ হয়েছে। শুধু তাই নয়, মঞ্চসজ্জা, আলোক নিয়ন্ত্রণ, পোশাক পরিকল্পনা, সংগীত পরিচালনা সবই সামাল দিতে হয়েছে তাঁকে। এ সকল কাজে তাঁকে সর্বতো সহযোগিতা করেছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রয়াত সামসুদ্দিন আহমেদ, তাঁর সহকর্মী মনিশ নারায়ণ সাহা, প্রয়াত শিক্ষক আব্দুস সাত্তার মিয়া, কামাল হোসেন এবং তাঁর সুহৃদ গোবিন্দ চন্দ্র রায়, মোল্লা হারুন, রঞ্জন সাহা, আব্দুল হামিদ, শ্যামলাল রায়, দীনেশ চন্দ্র রায়, আবু জাহিদ মোল্লা প্রমুখ।

১৯৬৭ সালে রামকৃষ্ণপুর জুনিয়র হাইস্কুলে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘মামলার ফল’ গল্পকে নাট্যরূপ দিয়ে মঞ্চস্থ করার মধ্য দিয়ে শুরু হয় তাঁর নাট্যজীবন। ১৯৬৯ সালে পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার ঘোষশিলন্দায় মঞ্চস্থ হয় ‘রামের সুমতি’ গল্পের নাট্যরূপ। এরপর একে একে তিনি লিখেছেন ২৬টি মৌলিক নাটক এবং বিভিন্ন কবিতা, গল্প, উপন্যাস অবলম্বনে লিখেছেন আরো ১৪টি নাটক। নাটকের বিষয় হিসেবে যেমন এসেছে আমাদের ভাষা আন্দোলন, ৬৯’এর গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ, ৯০’এর গণআন্দোলন, পদ্মা ভাঙ্গন; তেমনি সমকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি, অবক্ষয়ের কাহিনী। 

নাটকের অভিনয়শিল্পীদের প্রায় সবাই-ই ছিলেন তাঁর ছাত্রছাত্রী। মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন, হরিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান, দেশের খ্যাতনামা টিভি ও চলচ্চিত্র অভিনেতা মাজনুন মিজান, সাহিত্যিক উৎপল দত্ত, প্রকৌশলী রুহূল কাদের আজাদ, আবু জাহিদ মোল্লা প্রমুখ তাঁর নাটকে অভিনয়শিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে জাতীয় শিশু-কিশোর নাট্যোৎসব এবং জাতীয় নাট্যোৎসবে তাঁর একাধিক নাটক মঞ্চায়িত হয়েছে।

হরিপদ সূত্রধরের নাটকসমগ্র: মৌলিক রচনা ও রচনাকাল- অমর একুশে (১৯৭৯), জন্মতিথির নাম (১৯৮১), পোস্টার (১৯৮২), সারেণ্ডার (১৯৮৩), বর্ণ পরিচয় (১৯৮৫), ওরা কোথায় (১৯৮৬), বাণিজ্য (১৯৮৭), গর্দভপুরের আকাল (১৯৮৮), নামে ঢল ঐ জনতার (১৯৯০), দুলিরা বড় বেশি কথা কয় (১৯৯৪), আর কত দূর (১৯৯৬), বহে পদ্মা নীল রং (১৯৯৭), মুক্তি (১৯৯৭), পিকনিক (১৯৯৯), ছিনতাই (২০০০), বাহান্নর খোকারা (২০০৪), যদি না জাগে ঢেউ (২০০৮), কোন এক শিল্পীর খোঁজে (২০০৯), তামশা (২০১০), কেনারাম বেচারাম (----), বিদ্রোহী দুখু (২০১০), তোমার জন্য ভালোবাসা (----), শুভেচ্ছা (১৯৯৭), ভূত তাড়ানোর গান (----), ঝড় (১৯৯৬), যৌতুক (----)।

নাট্যরূপারোপ ও রচনাকাল: মামলার ফল (১৯৬৭), রামের সুমতি (১৯৬৯), বিন্দুর ছেলে (১৯৭০), কিষাণ বৌ (১৯৭৪), জুতা আবিষ্কার (১৯৮৬), রানার (১৯৮৮), দুই বিঘে জমি (১৯৯০), অন্ধ বধু (১৯৯২), চিঠি (২০০০), সামান্য ক্ষতি (২০০২), কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ (২০০২), কংস বধ (২০০৩), ঠাকুর নরোত্তম (২০০৪), মেঘনাদ বধ (১৯৭৯)।

অভিনয়শিল্পী হরিপদ সূত্রধর: ১৯৫৪ সালে ‘হলদে ঘাটের যুদ্ধ’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে হরিপদ সূত্রধরের অভিনয় জীবন শুরু। ১৯৯৭ সালে জাতীয় নাট্যেৎসবে তিনি নিজের রচিত ‘মুক্তি’ নাটকে অভিনয় করেন। হরিশচন্দ্র ও গণদেবতা নামে দুটো যাত্রাপালাতেও তিনি অভিনয় করেছেন। 

এছাড়া তিনি সরকারের বয়ষ্ক ভাতা সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে তাঁরই ছাত্র শুভ ঘোষের অনুরোধে অভিনয় করেছেন।

সংগঠক হরিপদ সূত্রধর: ‘সামাজিক উন্নয়নে মানসিক বিকাশই হোক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য’ এ বক্তব্যকে সামনে রেখে ১৯৮৮ সালের ১৫ জুন হরিপদ সূত্রধরের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘সাহিত্য-সাংস্কৃতিক পরিষদ, হরিরামপুর’ নামে একটি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন। নাট্যকার রঞ্জন সাহা, মনোয়ার হোসেন, মনিশ নারায়ণ সাহা, মোল্লা হারুন, আব্দুল হামিদ সহ আরো অনেকেই এ সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এ সংগঠনের নেতৃত্বে তাঁর পরিকল্পনায় প্রতিবছর বাংলা নববর্ষের প্রথম প্রহরে হরিরামপুরে এক ভিন্নধর্মী বর্ষবরণ শোভাযাত্রার আয়োজন শুরু হয়। যা পরবর্তীতে জলসত্র বন্ধুছায়া, হরিরামপুর বন্ধুমঞ্চ প্রভৃতি সংগঠনের মাধ্যমে আজও চলমান আছে।

ছাত্রজীবনে তিনি হরিণা বয়েজ ক্লাব, হরিণা-কুমারদহ ড্রামাটিক ক্লাব প্রভৃতি সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি বর্তমানে হরিরামপুর উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সাহিত্য ও মিডিয়া অঙ্গনে হরিপদ সূত্রধর: হরিপদ সূত্রধর সম্ভবত একমাত্র ব্যক্তি, জীবদ্দশায় যাঁর স্মারকগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত এ স্মারকগ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন তাঁর ছাত্র তৈয়বুল আজহার, গ্রন্থটির প্রচ্ছদ করেছেন খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী আজহার ফরহাদ।

হরিপদ সূত্রধরের ছাত্র বাংলাদেশের নামকরা কথাসাহিত্যিক আহমাদ মোস্তফা কামাল, কথাসাহিত্যিক মনজুর শামস তাঁদের রচিত একাধিক গ্রন্থ তাঁর নামে উৎসর্গ করেছেন।

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিকে একাধিকবার তাঁর কর্ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিটিভিতে তাঁর কয়েকটি মঞ্চ নাটক প্রচারিত হয়েছে। বিশিষ্ট টিভি ও চলচ্চিত্র অভিনেতা মাজনুন মিজান হরিপদ সূত্রধরকে নিয়ে একাধিক টিভি শো-তে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।

মানিকগঞ্জের বিশিষ্ট গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, লেখক সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু ২০১৯ সালে দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় হরিপদ সূত্রধরকে নিয়ে ‘পদ্মা পাড়ের সক্রেটিস’ শিরোনামে একটি ফিচার লিখেন। এরপর থেকে হরিপদ সূত্রধর ‘পদ্মা পাড়ের সক্রেটিস’ নামে পরিচিত হয়ে উঠেন।

পুরস্কার ও সম্মাননা: অভিজাত-বিখ্যাত-আলোচিত নাট্যদল ‘বটতলা’ আয়োজিত আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে ২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর ‘নিভৃতচারী নাট্য-সংগঠক ও সংস্কৃতি সাধক’ ক্যাটাগরিতে শ্রী হরিপদ সূত্রধরকে সম্মাননা প্রদান করা হয় ঢাকাস্থ মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর মিলনায়তনে।

আজহারুল ইসলাম সম্পাদিত ‘মানিকগঞ্জের শতমানিক’ গ্রন্থে তাঁর জীবনী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া ২০১১ সালের ৩০-৩১ ডিসেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠন জলসত্র বন্ধুছায়ার আয়োজনে দুইদিন ব্যাপী ‘হরিপদ সূত্রধর স্মারকগ্রন্থ প্রকাশনা ও নাট্যোৎসব’ উদযাপিত হয়েছে।

শেষের কথা- এত অল্প পরিসরে একজন নিভৃতচারী দার্শনিক হরিপদ সূত্রধরের আদর্শ ও কর্মের বিবরণ তুলে ধরা সম্ভব না। তাঁর স্মারকগ্রন্থে প্রকাশিত একটি দীর্ঘ সাক্ষাতকার পাঠ করলে হয়তো তাঁর মনন সম্পর্কে আরো ভালোভাবে উপলব্ধি করা যাবে। প্রায় অর্ধ শতাব্দী ধরে হাজারো প্রতিকূলতার মধ্যে ‘নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়িয়ে’ তিনি শুনিয়ে চলেছেন মানুষের আনন্দ-বেদনার গান, সুখ-দু:খের গাঁথা, সমকালীন হতাশা আর ভবিষ্যতের সুন্দর সকালের প্রত্যাশা। এজন্যই হয়তো তিনি বলেন- ‘‘নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর লোক না থাকলে সমাজের ভারসাম্যটা নষ্ট হয়ে যেত।’’

তথ্যসূত্র :

১। হরিপদ সূত্রধর স্মারকগ্রন্থ, সম্পাদক-তৈয়বুল আজহার, প্রকাশকাল-২০১১

২। পাটগ্রাম অনাথ বন্ধু সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি স্মরণিকা, সম্পাদক-তৈয়বুল আজহার, প্রকাশকাল-২০১৫

৩। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে বটতলা আয়োজিত আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব-২০১৯’ এ পাঠকৃত শংসাবচন

৪। মানিকগঞ্জের শতমানিক (২য় খণ্ড), সম্পাদক-মোঃ আজহারুল ইসলাম, প্রকাশকাল-২০১৪

৫। জাতীয় দৈনিক পত্রিকা, সাহিত্য পত্রিকা ও টিভি প্রোগ্রাম এ হরিপদ সূত্রধরকে নিয়ে প্রচারিত ও প্রকাশিত সংবাদ ও অনুষ্ঠান।