প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার মধুমতির ভাঙন পরিদর্শন 

প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার মধুমতির ভাঙন পরিদর্শন 

এস. এম আকাশ, ফরিদপুর  : ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা ও নড়ালের লোহাগাড়া উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মধুমতি নদীর ভাঙন আতঙ্কে দিশাহারা হয়ে পড়েছে দুই উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ। গত এক মাসে আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্ধ ইউনিয়নের চরপানাইল ও চাপুলিয়া গ্রামে মধুমতি নদীতে বিলীন হয়েছে  শতাধিক ঘর-বাড়িসহ শতাধিক হেক্টর ফসলি জমি। ফলে মধুমতি নদীর পাড়ের হাজার হাজার মানুষ ঘর-বাড়ি বিলীনের আতঙ্কে রয়েছে।

 এছাড়া লোহাগাড়া উপজেলার ৬নং জয়পুর ইউনিয়নের বকজুড়ী খেয়াঘাট-সংলগ্ন বায়তুস সালাম জামে মসজিদসহ চর আরিয়ারা গ্রামের ফসলী জমি ও অর্ধশতাধিক ঘর-বাড়ি মধুমতি নদীর্তে বিলীনের পথে। এলাকাবাসীর দাবি, এসব এলাকায় নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের ব্যাম্বো ব্যান্ডালিং ছাড়া নদীর তীরভাঙন ঠেকানো যাবে না।

বায়তুস সালাম জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ হাজি আব্দুর রহিম জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নদীভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে নদীতে হারিয়ে যাবে মধুমতি পারের চর আরিয়ারা বায়তুস সালাম জামে মসজিদসহ হাজার হাজার ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি।

এদিকে সোমবার সকালে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী রেজাউল করিম মধুমতি নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলাউদ্দীন হোসেন। 

নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিদর্শন দলটি বকজুড়ী খেয়া ঘাটে পৌঁছালে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত শত শত পরিবার তাদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন। পরিদর্শন দলটি খেয়া ঘাটে তাদের গাড়ি রেখে ইঞ্জিনচালিত একটি টলার ভাড়া করে এলাকাবাসীদের নিয়ে ভাংগন কবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন।

নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী রেজাউল করিম জানান, এই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংসদ সদস্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বরাবর চাহিদা পত্র প্রেরণের প্রেক্ষিতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট স্বল্প ব্যয়ে ব্যাম্বো ব্যান্ডালিং টেকসই স্ট্রাকচারের মাধ্যমে নদীর তীরভাঙন রোধসহ নদী ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্র্রহণ করবে।

বিআলো/ইসরাত