ফরিদপুরে কুমার নদী ভাঙনে দিশেহারা এলাকাবাসী

ফরিদপুরে কুমার নদী ভাঙনে দিশেহারা এলাকাবাসী

এস.এম আকাশ, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি: ফরিদপুরে কুমার নদী ভাঙনে দিশেহারা নদির পাড়ে বসবাসরত শত শত মানুষ। ইতিমধ্যে সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাড়ীঘরের অধিকাংশই এখন নদির গর্ভে। যে কোন সময় তাদের সব ঘরবাড়ী নদির গর্ভে বিলীন হতে পাড়ে।

আজ সোমবার (১৬নভেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, কানাইপুর ইউনিয়নের হুগলাকান্দী পশ্চিম পাড়ায় ১৬টি বাড়ী ঘর ও অসংখ্য গাছপালাসহ অনেক অংশই নদির গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তার পার্শ্ববর্তী ইব্রাহিমদী গ্রামে মাঝিপাড়ায় সাত মায়ের মন্দিরসহ প্রায় ৩শ মিটার এলাকাজুড়ে আদিবাসী হতদরিদ্র মৎস্যজীবিদের ২০টি বসতবাড়ীর অধিকাংশ জায়গাসহ অসংখ্য গাছপালা এখন নদির গর্ভে। সরকার যদি এখনি কোন কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন না করে তাহলে খুব অল্প দিনের মধ্যেই এই সকল বাড়ীঘর নদির গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এই সকল বাড়ীতে বসবাসরত হতদরিদ্র সকলেই তাদের বৌ ছেলে-মেয়ে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দাড়াতে হবে।

কানাইপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ সোহরাফ শেখসহ এলাকাবাসীরা জানান, এই ভাঙন রোধের জন্য আমরা ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডে আবেদন করেছি। এখন পর্যন্ত এই ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে কোন প্রকার পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি। ফরিদপুর জেলা পরিষদের নব নির্বাচিত সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান জানান, সরকার যদি দ্রুত এই ভাঙন রোধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করে তাহলে এই সকল পরিবার ভিক্ষার থালা নিয়ে রাস্তায় দাড়াতে হবে। তিনি সরকারের কাছে এই ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহামুদ জানান, আমার নদি খননের পর ওই এলাকার একটি প্রভাবশালীমহল নদিতে অবৈধ ড্রেজিং করে বালু উত্তোলনের ফলে কিছু কিছু জায়গায় নদির পাড় ভেঙ্গে পড়তে শুরু করেছে। আমরা ভাবছি কি ভাবে ভাঙন রোধ করা যায়।

বিআলো/শিলি