বেগমগঞ্জে নারী নির্যাতন: আদালতে কালামের স্বীকারোক্তি

বেগমগঞ্জে নারী নির্যাতন: আদালতে কালামের স্বীকারোক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিবস্ত্র করে এক নারীকে নির্যাতন ও তার ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আরও এক আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে আবুল কালাম (২২) নামে এই আসামির জবানবন্দি গ্রহণ শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত চলে। নোয়াখালীর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মাসফিকুল হক তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কালামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।পিবিআই-নোয়াখালী কার্যালয়ের পুলিশ পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ পাটোয়ারী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, অনৈতিক কাজে রাজি না হওয়ায় গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে দেলোয়ার বাহিনীর সদস্য আবুল কালামসহ অন্যান্য আসামির সঙ্গে নারীর বসতঘরে ঢুকে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এতে ব্যর্থ হয়ে ওই নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করা হয়। সে নির্যাতনের দৃশ্য কালাম মুঠোফোনে ধারণ করে। এ ঘটনায় ৪ অক্টোবর রাতে নির্যাতনের শিকার নারী বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় আবুল কালাম ৩ নম্বর আসামি।৪ অক্টোবর ওই নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নোয়াখালী পুলিশ প্রশাসনে তোলপাড় ও দেশব্যাপি নিন্দার ঝড় ওঠে।মামুনুর রশিদ পাটোয়ারী জানান, রিমান্ডে কালাম ওই নির্যাতনের মিশনে উপস্থিত থেকে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কালামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

পিবিআই-নোয়াখালী কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি বলেন, চাঞ্চল্যকর এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৮ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মামলার বাকি আসামীদেরকে গ্রেপ্তারে পিবিআইয়ের একাধিক টিম মাঠে রয়েছে।

বি আলো / মুন্নী