বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় বিএনপি দায়ী : প্রধানমন্ত্রী

বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় বিএনপি দায়ী : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি : হঠাৎ বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় বিএনপিকে দায়ী করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি করোনার এই দুঃসময়কে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ফায়দা লুটতে চাইছে। তারা নিজেরা বাসে আগুন দিয়ে উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে চাইছে। বিএনপি যেন এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করে।

সোমবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে সংসদে একটি ফোনালাপও শোনান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বাস পোড়ানোর ঘটনা নিয়ে এক ব্যক্তি ও এক নারীকে আলাপ করতে শোনা যায়। নারীকণ্ঠ বলছে- যুবদলের ছেলেরা বাসে আগুন দিয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, সরকারের এজেন্টরা এই কাজ করেছে। এই ঘটনায় কারা জড়িত, তা বের করতে একটি সংসদীয় কমিটি গঠন করার দাবি জানান হারুন। হারুনের বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই ফ্লোর নেন। তিনি দাঁড়িয়ে বলেন, প্রযুক্তি এখন অনেক এগিয়ে গেছে। তার কাছে একটি ফোনালাপ আছে। তিনি সেটা শোনাতে চান। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের মোবাইল ফোন থেকে সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপ চালু করেন। মোবাইল ফোন মাইকে ধরে তা সংসদকে শোনানো হয়।পরে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির সাংসদ হলেও হারুনকে প্রথম সারিতে বসানো হয়েছে। তিনি অনেক কথা বলেন। সরকারি দল তার অনেক কথার জবাবও দেয় না। কিন্তু নিজের দল সম্পর্কে তথ্য জেনে তারপর হারুনের কথা বলা উচিত ছিল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কারা গাড়িতে আগুন দিয়েছে, সে ছবিও তার কাছে আছে। একটি মিছিল শেষে দিয়াশলাই দিয়ে বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। আরও ফোন রেকর্ড আছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ছে- কারা আগুন দিচ্ছে। তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। কারণ তাদের জনগণের ওপর আস্থা নেই। জনগণেরও তাদের ওপর আস্থা নেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতা দখল করেছে খুনের মধ্য দিয়ে। এখন একজন ফেরারি আসামিকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন করেন- বিএনপিতে কি একজনও যোগ্য মানুষ নেই যে, একজন পলাতক আসামিকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করতে হলো? বিএনপি চেয়ারপারসন এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করে সাজা খাটছেন। তারপরও তাকে বাসায় থাকতে দেওয়া হয়েছে।

বি আলো / মুন্নী