মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিনোদন ডেস্ক:  আজ ২৫ জুন ‘পপ কিং’ মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুবার্ষিকী। স্নায়ু শিথিল করতে মাত্রাতিরিক্ত প্রপোফল সেবনে ২০০৯ সালের ২৫ জুন ৫০ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়েছিল।

বিশ্বের সবচেয়ে সফল সেলিব্রেটি মাইকেল জ্যাকসন একজন মার্কিন সংগীতশিল্পী, গীতিকার, নৃত্যশিল্পী, অভিনেতা, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী। ব্যক্তিজীবনে বিতর্কিত পপসম্রাট বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে চার দশকেরও বেশি সময় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বৈশ্বিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।

১৯৫৮ সালের ২৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান-আমেরিকান একটি পরিবারে জন্ম হয়েছিল মাইকেল জ্যাকসনের। মাইকেলের বাবার নাম জোসেফ ওয়াল্টার জ্যাকসন। জ্যাকসন পরিবারের ৭ম সন্তান মাইকেল। চার ভাইকে সঙ্গে নিয়ে মাত্র ৬ বছর বয়সে পেশাদার জগতে পা রাখেন তিনি। এককভাবে কাজ করেন ৭১ সালে। তবে বিশ্বজুড়ে উন্মাদনা ছড়ান আরও এগার বছর পর। ১৯৮২ সালে তার থ্রিলার অ্যালবাম ভেঙে দেয় পৃথিবীর সব রেকর্ড।

সর্বকালের সবচেয়ে সফল বিনোদন তারকা হিসেবে গিনেস বুকেও জায়গা পেয়েছেন তিনি। প্রায়শই তাকে পপ সঙ্গীতের রাজা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় অথবা, সংক্ষেপে তাকে এমজে নামে অভিহিত করা হয়।

অলটাইম হিটসের তালিকায় আছে - অফ দ্য ওয়াল (১৯৭৯), ব্যাড (১৯৮৭), ডেঞ্জারাস (১৯৯১) এবং হিস্টরি (১৯৯৫)।

২০০৯ খ্রিস্টাব্দের ২৫ জুন মাইকেল জ্যাকসন মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হয় তারই ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. কনরাড মারেকে এবং সে কারণে তাকে চার বছরের জন্য কারাদণ্ডও দেয়া হয়।

২০০৯ সালের ২৫ জুন পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চলে যাওয়ার পর সে বছর সর্বাধিক বিক্রীত অ্যালবামের শিল্পী হিসেবে আবির্ভূত হন জ্যাকসন। মৃত্যুর এক বছরের মাথায় কেবল আমেরিকাতেই তার অ্যালবাম বিক্রি হয় ৮.২ মিলিয়ন কপি; আর বিশ্বজুড়ে বিক্রি হয় ৩৫ মিলিয়ন। মৃত্যুর পর গান ডাউনলোডের ইতিহাসেও রেকর্ড গড়েন ‘পপ কিং’। মাত্র এক সপ্তাহে পয়সা খরচ করে জ্যাকসনের ১০ লাখ গান ডাউনলোড করে তার ভক্তরা।


বিআলো/ইসরাত