বন্যা দূর্গত মানুষদের মুখে হাসি ফোঁটাতে ৩টি গরু কোরবানি

বন্যা দূর্গত মানুষদের মুখে হাসি ফোঁটাতে ৩টি গরু কোরবানি
বন্যা দূর্গত মানুষদের মুখে হাসি ফোঁটাতে ৩টি গরু কোরবানি
বন্যা দূর্গত মানুষদের মুখে হাসি ফোঁটাতে ৩টি গরু কোরবানি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: অসহায় বানভাসিদের মুখে একটু হাসি ফোঁটানোর লক্ষ্যে নিজের বাড়িতে গরু কোরবানি না দিয়ে কয়েকজন ব্যক্তির সহায়তায় কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় বানভাসি মানুষের মাঝে ৩টি গরু কোরবানি দেয়া হয়েছে।

শনিবার (১ আগষ্ট) কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামে প্রায় ২শ পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণের পাশাপাশি চাল, তেল ও মশলা বিতরন করা হয়।

জানা যায়, কুড়িগ্রামে দীর্ঘ মেয়াদি বন্যায় জেলার ৯টি উপজেলার ৫৬টি ইউনিয়নের ৪ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছিল। তার মধ্যে সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের কদম তলা গ্রামটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্রামটি এ সহায়তাদানকারী কয়েকজন ব্যক্তির নজরে আসলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলির মাঝে ৩টি গরু কোরবানিসহ তেল, মশলা ও চাল সহায়তা হিসাবে প্রদান করেন। এখন পানি কমে আসলেও এ গ্রামটির ২শ পরিবার এখনো পানি বন্দি জীবন যাপন করছেন।

কদম তলা গ্রামের স্থানীয়রা জানান, আমাদের বয়স শেষের দিকে, এ জীবনে এতো বড় সহায়তা পাই নাই। ঈদের দিনে মাংস, চাল, তেল ও মশলা পেয়ে আমরা খুবই আনন্দিত। সহায়তাদানকারীদের জন্য অামরা সারাজীবন দোয়া করবো।

এই সহায়তা দানের অন্যতম উদ্যোক্তা সাংবাদিক ও সমাজকর্মী ইউসুফ আলমগীর জানান, এবারে কুড়িগ্রামের ভয়াবহ দীর্ঘ মেয়াদি বন্যার কারণে বন্যা দুর্গত মানুষদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কয়েকজন অগ্রজ এগিয়ে আসেন। তাদের পাঠানো অর্থে চরবাসিদের পছন্দমত কোরবানির গরু কেনা হয়। আর সেই সাথে মাংসের পাশাপাশি আরও কিছু মানুষ চাল, তেল, মশলা দিয়ে সহযোগিতা করেন।

আজ চরবাসিদের সাথে ঈদের নামাজ পরে মাংস ও অন্যান্য সামগ্রী দেয়া হলো। তবে এই সাময়িক সহযোগিতার পাশাপাশি বানভাসি চরের মানুষদের বন্যা পরবর্তি কৃষি সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

বিআলো/শিলি