এসপি মো. ফরিদ উদ্দিনের নতুন কৌশল

এসপি মো. ফরিদ উদ্দিনের নতুন কৌশল

***ওসি পদায়নে সুপার চমক

সুমন সরদার: ওসি পদায়নে নতুন কৌশল অবলম্বন করে সর্বসাধারণের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন সিলেট জেলার পুলিশ সুপার মো. ফরিদ উদ্দিন বিপিএম। মেধা, বুদ্ধিমত্তা, সার্ভিস রেকর্ড, অতীত অভিজ্ঞতার মানদণ্ড পর্যালোচনা করে সিলেট জেলা পুলিশের আওতাধীন থানাগুলোতে চলছে ওসি পদায়ন। পদায়নের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাও জানতে পারছেন না তার নতুন কর্মস্থল ও দায়িত্ব সম্পর্কে।

‘হঠাৎ’ হাতে পৌঁছাচ্ছে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের চিঠি। তাই এটাকে ‘চমক’ হিসেবেই আখ্যায়িত করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। জেলার চৌকস কর্মকর্তাদের (পরিদর্শক) সীমান্তবর্তী থানাগুলোতে পদায়ন করায় কমে আসে চোরাচালান ও মাদক পাচার।

এসব থানায় যোগদানকারী ওসিরা আগে থেকে জানতেন না তাদের পদায়নের কথা। সর্বশেষ গত ২২ জুন গোয়াইনঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন হয় ফেঞ্চুগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) পরিমল দেব। নতুন কর্মস্থলে যোগদানের আগে তিনি জানতেই পারেননি তাকে গোয়াইনঘাটের ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি বিশ্বনাথ থানায় গাজী আতাউর রহমান ও বালাগঞ্জে নাজমুল ইসলাম ওসি হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন। অথচ এ দু’জনই তাদের পদায়নের ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। দাপ্তরিক কাজে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এসে তারা পোস্টিংয়ের বিষয়টি জানতে পারেন।

এ ব্যাপারে সিলেটের পুলিশ সুপার মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, বর্তমান আইজিপি পুলিশকে আধুনিক ও জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছেন। তাই অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি বন্ধে বদলি ও পদায়নে স্বচ্ছতা আনা হচ্ছে।

তাই থানায় ওসি নিয়োগ নিয়ে যাতে কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ না ওঠে সেজন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরামর্শক্রমে স্বচ্ছতার সাথে বদলি ও পদায়নের কাজ চলছে। এতে জনসাধারণকে হয়রানিমুক্তভাবে সেবা প্রদানও সম্ভব হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিআলো/ইলিয়াস