ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চায় গড়ে ওঠে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্ব
মুহাম্মদ জিল্লুর রহমান জুয়েল | পটুয়াখালী: শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননশীলতা বিকাশে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, নেতৃত্বগুণ বিকাশ এবং সামাজিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে–এমন মত দিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও অতিথিরা।
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের গুয়াবাড়ীয়া এ.বি. বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩৩তম বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা বলেন, পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা ও সৃজনশীল মানসিকতা গড়ে তুলতে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা অপরিহার্য। ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি করে। অপরদিকে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তাদের চিন্তা-চেতনা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের ভেতরে সুপ্ত প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম থাকলে শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল ও সমাজ সচেতন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানান, শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতেই প্রতিবছর নিয়মিতভাবে এ ধরনের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি ও আনন্দও নিশ্চিত হয়।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ব্যাপক উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননশীলতা বিকাশে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—এমন মন্তব্য করেছেন অতিথি ও শিক্ষাবিদরা।
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের গুয়াবাড়ীয়া এ.বি. বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩৩তম বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা ও সৃজনশীল মানসিকতা গড়ে তুলতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা অপরিহার্য। ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সহনশীলতা ও দলগত কাজের মানসিকতা সৃষ্টি করে। অন্যদিকে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তাদের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করে।
এর আগে ২১ জানুয়ারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি এবং বকুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইউসুফ মোল্লা।
সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গলাচিপা-দশমিনা সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার মো. সৈয়দ জামান, বকুলবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু মোহাম্মদ হানিফ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য ও গলাচিপা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মু. জিল্লুর রহমান জুয়েলসহ স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল ও সমাজ সচেতন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
বা.আ./এফএইচএস



