• যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • সংবাদ দিন
  • ই-পেপার
    • ঢাকা, বাংলাদেশ

    চট্টগ্রাম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পুলিশ–ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত 

     dailybangla 
    31st Jan 2026 6:26 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    চট্টগ্রামবাসীকে ন্যায়বিচার উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার— সিএমএম চট্টগ্রাম

    নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগরে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার গতি বৃদ্ধি এবং বিচার বিভাগ–পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে পুলিশ–ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার।

    কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিদুল ইসলাম, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মোঃ সোয়েব খান, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হামীমুন তানজীন, বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক, মোঃ আলমগীর হোসেন, মোহাম্মদ মোস্তফা, মুহাম্মদ আবুল মনছুর এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা সাত্তার।

    পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডিসি (দক্ষিণ) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া, ডিসি (প্রসিকিউশন) মোঃ হাসান ইকবাল চৌধুরী, শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিজয়া সেন, এসি (প্রসিকিউশন) মোঃ আরিফ ইকবাল, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোঃ সালাউদ্দিন, পিবিআইয়ের পরিদর্শক (প্রশাসন) মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি উত্তর) মোঃ মোস্তফা কামাল, এসি ট্রাফিক (নর্থ) কবির উদ্দিন সরকার, এসি ট্রাফিক (উত্তর) মোঃ সালাউদ্দিনসহ চট্টগ্রাম মহানগরের ১৬ থানার অফিসার ইন-চার্জবৃন্দ ও পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

    এছাড়াও কনফারেন্সে অংশ নেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের প্রতিনিধি ডা. ইমরান হেসেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের আইন কর্মকর্তা মাসুম রেজা, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রোমানা আক্তার, র‌্যাব, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজনরা।

    চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসান আলী চৌধুরী এবং মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোঃ মফিজুল হক ভূইয়া কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক ও ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রতিনিধি মেজর তানভীর সভায় অংশগ্রহণ করেন।

    কনফারেন্সের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিদুল ইসলাম বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি তুলে ধরেন এবং আজকের আলোচ্যসূচি উপস্থাপন করেন।

    পরবর্তীতে বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সভাপতিত্বে উন্মুক্ত আলোচনায় মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানার অফিসার ইন-চার্জগণ তদন্ত কার্যক্রমে বিদ্যমান সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এ সময় সভাপতি মহোদয় তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করতে বিভিন্ন আইনগত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    পুলিশ কমিশনারের প্রতিনিধি ডিসি (দক্ষিণ) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া বলেন, নিরাপরাধ ব্যক্তিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার লক্ষ্যে সংশোধিত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩-বি ধারা অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি রিমান্ড আবেদনে পর্যাপ্ত যৌক্তিক তথ্য উপস্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ক্রোকি পরোয়ানামূলে জব্দকৃত মালামাল সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত স্থানের অভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন।

    চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসান আলী চৌধুরী বলেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সভাপতি আবদুস সাত্তার বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে রিমান্ড না-মঞ্জুর হলে রাষ্ট্রপক্ষ চাইলে মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে।

    অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক বলেন, বিনা ময়নাতদন্তে লাশ দাফনের ক্ষেত্রে আইনানুগ সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইন-চার্জের রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার মামলায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আদেশ মানে মামলার কার্যক্রম বন্ধ নয়, বরং শান্তি বজায় রেখে মামলার কার্যক্রম চালু রাখা।

    সভাপতির বক্তব্যে বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার বলেন, শুধুমাত্র আসামির দোষস্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে তদন্ত না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি নিয়মিত এনইআর প্রেরণ, পলাতক আসামির সম্পত্তির বিবরণ তদন্ত প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা, জব্দকৃত আলামতের মালিককে সাক্ষী বা আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা এবং মেডিকেল অফিসারদের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর উল্লেখ করার নির্দেশ দেন।

    তিনি আরও বলেন, পিআরবি বিধি ২৮৩ অনুযায়ী আদালত চলাকালীন সময়ে আসামি উপস্থাপন, সঠিকভাবে সনাক্তকরণের জন্য টিআই প্যারেড আয়োজন এবং সময়মতো মেডিকেল সনদ প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স ও মোবাইল টিম প্রদানেরও নির্দেশ দেন তিনি।

    সমাপনী বক্তব্যে বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় বিচার প্রশাসন, নির্বাহী প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন একে অপরের পরিপূরক। জনগণের শেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা বাড়াতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দ্রুততার সঙ্গে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে।

    পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে চট্টগ্রামবাসীকে ন্যায়বিচার উপহার দেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি কনফারেন্সের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

    বিআলো/তুরাগ

    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    February 2026
    M T W T F S S
     1
    2345678
    9101112131415
    16171819202122
    232425262728