চাঁদপুর-২ আসনের জনগণের দাবি
ড. জালাল উদ্দিনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান মতলবের মানুষ
মতলব দক্ষিণ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি : ড. মো. জালাল উদ্দিন-কে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনের সর্বস্তরের জনগণ। স্থানীয়দের ভাষ্য, এটি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থের দাবি নয় বরং মতলব অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের প্রত্যাশা থেকেই এই আহ্বান।
নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটার, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মনে করেন, ড. জালাল উদ্দিন শুধু একজন জনপ্রতিনিধি নন তিনি জনগণের আশা-ভরসার প্রতীক। নির্বাচনের পর থেকে এলাকায় উন্নয়ন পরিকল্পনা, যোগাযোগব্যবস্থা উন্নতকরণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে অগ্রগতির নানা উদ্যোগে তার সক্রিয়তার কথাও উল্লেখ করেন অনেকে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নিজের উপকারের জন্য নয় মতলবের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে আমরা তাকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চাই। তাদের প্রত্যাশা, মন্ত্রিত্ব পেলে বৃহত্তর পরিসরে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে এবং মতলব উত্তর-দক্ষিণে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে। এলাকাবাসীর ভাষায়, সময়ের ব্যবধানে ইনশাআল্লাহ তিনিই হবেন মতলবের উন্নয়নের অগ্রদূত।
চাঁদপুর-২ আসনের জনগণের এই জোরালো দাবি এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। এ দাবির পক্ষে স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ব্যবসায়ী মহল ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরাও মত প্রকাশ করেছেন।
তাদের বক্তব্য, জাতীয় পর্যায়ে দায়িত্ব পেলে ড. জালাল উদ্দিন মতলব অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সমস্যা, নদীভাঙন, কর্মসংস্থান সংকট ও শিল্পায়নের ঘাটতি দূরীকরণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। বিশেষ করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, আধুনিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির বিষয়ে তার পরিকল্পনার প্রতি আস্থা রাখছেন এলাকাবাসী।
চাঁদপুর-২ আসনের প্রবীণ নাগরিকদের অনেকে বলেন, আমরা এমন একজন প্রতিনিধিকে চাই, যিনি জাতীয় পর্যায়ে থেকে আমাদের এলাকার কথা জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারবেন। মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলে তিনি সেই সুযোগটি আরও বিস্তৃতভাবে কাজে লাগাতে পারবেন।
এদিকে তরুণ ভোটারদের অভিমত, উন্নয়ন কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাদের বিশ্বাস, অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে ড. জালাল উদ্দিন সেই দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোনো নির্বাচনী এলাকার পক্ষ থেকে এমন প্রত্যাশা ও দাবি গণতান্ত্রিক চর্চারই অংশ।
জনগণের আকাঙ্খা ও উন্নয়ন প্রত্যাশা সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বিবেচনায় আসা স্বাভাবিক। সবমিলিয়ে চাঁদপুর-২ আসনের জনগণের দাবি একটাই ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, মতলবের সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের লক্ষ্যে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান তারা। এখন সময়ই বলে দেবে, জনগণের এই প্রত্যাশা কতটা বাস্তব রূপ পায়।
বিআলো/আমিনা



