ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্টদের নিয়ে মিলনমেলা ও র্যাফেল ড্র
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ঢাকা, গাজীপুর, সাভার ও মানিকগঞ্জের এজেন্ট মালিকদের মিলনমেলা
নিজস্ব প্রতিবেদক: ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি’র ঢাকা, গাজীপুর, সাভার ও মানিকগঞ্জ অঞ্চলের এজেন্ট মালিকদের অংশগ্রহণে এক যৌথ বিজনেস রিভিউ মিটিং ও বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী এই আয়োজনটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।
ঢাকা ডিভিশন–২ এর উদ্যোগে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা এলাকায় অবস্থিত সোহাগ পল্লী রিসোর্টে এ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকা ডিভিশন–২ এর অধীনস্থ এরিয়া অফিসসমূহের কর্মকর্তা, মাদার এজেন্ট, মাস্টার এজেন্ট এবং এজেন্ট মালিকরা অংশ নেন।
দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল—উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, কেক কাটা, বেলুন ও পায়রা উড়ানো, লোগো সম্বলিত ড্রেস ও আইডি কার্ড বিতরণ, সুইমিং ও রাইড, লাকি কুপন ড্র, পিঠা উৎসব, আলোচনা সভা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং র্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণ।
ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি’র ঢাকা ডিভিশন–২ এর সিনিয়র রিজিওনাল ম্যানেজার (এসআরএম) বিশ্বজিৎ দেবনাথ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি’র এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান আসলাম আল ফেরদৌস। বিশেষ অতিথি ছিলেন কমপ্লায়েন্স ডিভিশনের প্রধান ফরহাদ মাহমুদ।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন সিনিয়র রিজিওনাল কমপ্লায়েন্স ম্যানেজার নাছিমুল হক, সাভারের এরিয়া ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম এবং সাভার ব্যাংক কলোনি এজেন্ট শাখার সিইও ও সিনিয়র সাংবাদিক শেখ বাশার প্রমুখ। এ সময় মাস্টার এজেন্ট ও এজেন্ট মালিকরা এরিয়া অফিসে এসএমই লোন অফিসার নিয়োগসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, “প্রত্যেক এজেন্ট ব্যাংকার একজন উপদেষ্টা। সামনে এজেন্ট মালিকদের জন্য নতুন নতুন অফার ও প্রণোদনা আসছে।” এজেন্ট ব্যাংকিং সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, সেবার মান উন্নয়ন, হিসাব, ডিপোজিট ও ঋণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত তিন মাস পরপর রিভিউ মিটিং এবং জুন ক্লোজিং সভা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে বলে জানান তারা।
এজেন্ট মালিকদের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, “সফল হতে হলে পরিশ্রমের বিকল্প নেই। সকল গ্রাহকই ডাচ-বাংলা ব্যাংকের গ্রাহক—এখানে কোনো বৈষম্য নেই। মানি লন্ডারিং বা সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়ে কঠোর হতে হবে এবং প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সারাদেশে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা রয়েছে সাড়ে ৬ হাজারের বেশি, এরিয়া অফিস ৭৭টি, শাখা ২৪০টিরও বেশি, সাব-শাখা ৫০০টি, ফাস্ট ট্র্যাক ১,৫০০টি এবং রকেট এজেন্ট পয়েন্ট রয়েছে প্রায় ২ লাখ। বর্তমানে ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি।
র্যাফেল ড্র-এ প্রথম পুরস্কার মোটরসাইকেল জিতে নেন সাভার মাস্টার এজেন্টের মালিক এ এস এম নাঈম মুক্তা। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে মিলনমেলার সমাপ্তি ঘটে।
বিআলো/তুরাগ



