• যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • সংবাদ দিন
  • ই-পেপার
    • ঢাকা, বাংলাদেশ

    ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হচ্ছে ‘বেহুলা দরদী’ 

     dailybangla 
    12th Jan 2026 5:35 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    হৃদয় খান: ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ২৪তম আসরে প্রদর্শিত হচ্ছে লোকজ সংস্কৃতিনির্ভর চলচ্চিত্র ‘বেহুলা দরদী’। ঐতিহ্যবাহী বেহুলা-লক্ষিন্দরের কাহিনিকে উপজীব্য করে নির্মিত এই সিনেমাটি মূলত টাঙ্গাইলের মধুপুর অঞ্চলসহ আশপাশের জেলাগুলোতে একসময় জনপ্রিয় বেহুলা নাচারি গীতিনাট্য ও পালাগানের দলগুলোর জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত।

    একসময় গ্রামবাংলার হাটে-মাঠে নিয়মিত মঞ্চস্থ হতো বেহুলা নাচারি পালা। সেই হারিয়ে যেতে বসা লোকজ শিল্পচর্চার সঙ্গে যুক্ত একটি দলের সদস্যদের জীবনের গল্পই উঠে এসেছে ‘বেহুলা দরদী’ সিনেমায়।

    সিনেমাটির পরিচালক সবুজ খান বলেন, “আমার পূর্বপুরুষরা একসময় বেহুলা-লক্ষিন্দরের কাহিনি নিয়ে গ্রামে-গঞ্জে নাচারি ও গীতিনাট্য প্রদর্শন করতেন। নিজের চোখে দেখা সেই গল্পগুলোই আমার প্রথম সিনেমা ‘বেহুলা দরদী’-তে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আমি বিশ্বাস করি, মাটি ও মানুষের এই গল্পগুলো দর্শকের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে এবং গ্রামীণ লোকজ সংস্কৃতি সারাদেশে পৌঁছে যাবে।”

    চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা ফজলুর রহমান বাবু বলেন, ‘বেহুলা দরদী’ এমন একটি সিনেমা, যার গল্প যেখানকার, শুটিংও হয়েছে ঠিক সেখানেই। এই বিষয়টির মধ্যে এক ধরনের অদ্ভুত শান্তি রয়েছে। আমার ধারণা, এই সিনেমাটি টাঙ্গাইলের মধুপুর অঞ্চলের নাচারি ও পালাগানের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট হিসেবে কাজ করবে। বলা যায়, এটি ওই অঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতির একটি আর্কাইভ হয়ে থাকবে।”

    সিনেমার গল্পে দেখা যায়, নাগবাড়ি বেহুলা নাচারি দলের প্রধান ভোলা মিয়া তার দলটিকে টিকিয়ে রাখতে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করছেন। ইউনিয়ন পর্যায়ের একাধিক প্রতিযোগিতায় পরাজয়ের কারণে দলের সম্মান প্রায় তলানিতে ঠেকেছে। এই অবস্থায় দলকে আবারও ঘুরে দাঁড় করাতে শুরু হয় নানা প্রচেষ্টা—আর সেই চেষ্টার মধ্য দিয়েই এগিয়ে যায় সিনেমার গল্প।

    ‘বেহুলা দরদী’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, প্রাণ রায়, সূচনা সিকদার, আশরাফুল আশীষ, আজিজুন মীম, আঁখি আক্তার, সেলজুক ত্বারিক, মো. আলগীর হোসেন, শেখ মেরাজুল ইসলাম, আফফান মিতুল, রেশমি আহমেদ, সানজিদা মিলা, হাসিমুন, স্নিগ্ধা হোসেইন, ইমরান হাসো, মনিষা শিকদার, নয়ন আহমেদ কাজলসহ মধুপুর অঞ্চলের একঝাঁক স্থানীয় অভিনয়শিল্পী।

    চলচ্চিত্রটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন নির্ঝর চৌধুরী, চিত্রগ্রহণে ছিলেন নাহিয়ান বেলাল এবং সম্পাদনায় আমিনুল সিকদার। প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা সাব্বির আহমেদ শ্রাবণ।

    মো. জাহিদুল ইসলামের প্রযোজনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রটির মাধ্যমে পরিচালক সবুজ খান তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমায় গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা লোকজ সংস্কৃতিকে নতুন করে তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন।

    বিআলো/তুরাগ

    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    M T W T F S S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031