ঢাকা-৯ উন্নয়নের জন্য ধানের শীষের সরকার অপরিহার্য: তারেক রহমান
দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে জনগণের শক্তিশালী সমর্থন আবশ্যক
এস এম আনোয়ার হোসেন অপু: খেলার মাঠ নেই, হাসপাতাল পুরনো, সড়ক নাজুক, জলাবদ্ধতা ভয়াবহ—ঢাকা-৯-এর এই দীর্ঘদিনের সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করে ধানের শীষের সরকারের গঠনকে অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাসবো তরুণ সংঘ মাঠে ঢাকা-৯ আসনের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, “আমি হাবিবুর রশিদ হাবিবের হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি বলে বিশ্বাস করি। ঢাকা-৯ এলাকার মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ নেই, অথচ শিশু-কিশোর ও তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মাঠ অত্যন্ত জরুরি। বিএনপি সরকার গঠিত হলে এ অঞ্চলে খেলার মাঠ নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই এলাকায় যে হাসপাতালটি রয়েছে, তা খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের সময় নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু জনসংখ্যা বেড়ে গেলেও গত ১৬ বছরে হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা বাড়েনি। নানা মেগা প্রকল্পের কথা শোনা গেলেও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব কোনো উন্নয়ন হয়নি।”
ঢাকা-৯ আসনের সড়ক ও জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান বলেন, “এলাকার সড়কগুলোর অবস্থা অত্যন্ত নাজুক এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। বিএনপি সরকার গঠন হলে দ্রুততার সঙ্গে এসব সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
নদী-নালা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার নিয়ে তিনি বলেন, “জনগণের শক্তিশালী সমর্থন আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। আসন্ন নির্বাচন শুধু ভোট দেওয়ার জন্য নয়, এই নির্বাচনকে দেশ পুনর্গঠনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।”
তারেক রহমান আরও উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশ পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা একমাত্র বিএনপিরই রয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী শিক্ষা বিস্তার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।”
ঢাকা-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব সম্পর্কে তিনি বলেন, “তিনি এ এলাকারই সন্তান এবং দীর্ঘদিন ধরে area’s মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে রয়েছেন।” তিনি উপস্থিত জনতার প্রতি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে হাবিবকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুনায়েম মুন্না, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
বিআলো/তুরাগ



