তারেককে ফোনে অভিনন্দন, ভারতের কূটনৈতিক নতুন সমীকরণ
আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পর দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দলটির নেতা তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিল্লির এই অবস্থানকে পর্যবেক্ষকরা দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন।
বাংলাদেশের নির্বাচনী ফল ঘোষণার পর অতীতের মতো এবারও দিল্লি থেকে প্রথম আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বার্তা আসে। তবে এবার প্রেক্ষাপট আলাদা। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে নতুন নেতৃত্বের উত্থান ঘটেছে।
এই বাস্তবতায় মোদি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারেক রহমানকে ‘নির্ণায়ক জয়’-এর জন্য অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের জনগণ তার নেতৃত্বে আস্থা রেখেছে বলে মন্তব্য করেন। পরে তিনি বাংলাতেও একই বার্তা প্রকাশ করেন এবং সরাসরি ফোনালাপ করেন।
এক সময় যার প্রতি ভারতের মনোভাব ছিল শীতল, সেই তারেক রহমানকে ঘিরে দিল্লির এই উষ্ণতা কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে শক্তিশালী বিএনপি সরকারকে দিল্লি বাস্তবসম্মত অংশীদার হিসেবেই দেখছে।
অতীতে যোগাযোগে সংযম থাকলেও পর্দার আড়ালে সংলাপ চলেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাকরঞ্জন চক্রবর্তী।
তিনি বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কৌশলও বদলেছে। এখন ভারতের লক্ষ্য নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া, যদিও সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে দিল্লি আলাদা অবস্থান রাখবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে।
বিআলো/শিলি



