দেশজুড়ে বেড়েছে শীতের দাপট, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড পাবনায়
এস এম আলমগীর চাঁদ, পাবনা: উত্তরের জেলা পাবনা মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে। গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে তাপমাত্রার এমন পতন, যেখানে সূর্যের দেখা পাওয়া দুষ্কর হয়ে উঠেছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দেশে ও মৌসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়ার তথ্যমতে, সকাল ৯টায় পাবনায় রেকর্ড করা হয় ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। যা দেশের এবং এ মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন রেকর্ড। গত সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে: রবিবার ১০ ডিগ্রি, শনিবার ৯ ডিগ্রি, শুক্রবার ৮.৮ ডিগ্রি, বৃহস্পতিবার ৯.৬ ডিগ্রি ও বুধবার ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, সকাল ৯টায় বাতাসে জলীয় বাষ্পের আদ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ এবং দুপুর ১২টায় ৭৯ শতাংশ। দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে কিছুদিন পর তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এক সপ্তাহ ধরে চলা শৈত্যপ্রবাহের কারণে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। গ্রাম বা শহরের পাড়া-মহল্লায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন অনেকে। সকাল ও বিকেলের সময় মানুষ বাইরে কম বের হচ্ছেন, যার ফলে সড়কে চলাচলকারী অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের চালকেরা আয় কমে গেছে। শ্রমজীবীরা কর্মসংকটে ভোগান্তি সহ্য করছেন।
পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ সড়কে অটোরিকশা চালক নাসির বলেন, *“শীতে মানুষের বাঁচার প্রশ্ন চলে আসে। তাই রাস্তায় মানুষই নেই। যাত্রীর আশায় সারাক্ষণ বসে থাকতে হয়। ৫০০/৭০০ টাকা তো দূরে থাক, ৩০০ টাকাই এখন জুলুম। সংসার চালানোই এখন সবচেয়ে বড় চিন্তা।”*
এব্যাপারে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, *“প্রতিবছর তীব্র শীতে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ে। এই মৌসুমেও সংখ্যা বাড়ছে, তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এখনও বেশি নয়। আমরা চেষ্টা করছি সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার।”*
বিআলো/ইমরান



