পার্বত্য তিন আসনে প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু
নিজস্ব প্রতিবেদক: পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান-এই তিন সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম আজ প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে শুরু হয়েছে। প্রতীক হাতে পাওয়ার পরপরই প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন।
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) পার্বত্য তিন জেলায় জেলা প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্ধারিত প্রতীক গ্রহণ করেন এবং বরাদ্দের পর তাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা গেছে।
রাঙ্গামাটি আসনে প্রতীক বরাদ্দের পর পাহাড়ি এলাকাসহ পুরো অঞ্চলে নির্বাচনী আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। খাগড়াছড়ি আসনে গ্রাম থেকে সদর পর্যন্ত প্রার্থীরা সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছেন। অন্যদিকে বান্দরবান আসনে প্রতীক পাওয়ার পর নীরব হলেও সংগঠিতভাবে প্রচারণার কাজ শুরু হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে কার্যকর রয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন রোধে তিন জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত ও মনিটরিং টিম মাঠে কাজ করছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে নির্বাচনের শেষ ধাপে প্রবেশ করেছে পার্বত্য তিন জেলা। এখন থেকে ভোটের আগ পর্যন্ত প্রার্থীদের প্রচারণা, সভা-সমাবেশ ও ভোটার সংযোগই নির্বাচনের মূল কার্যক্রম হবে।
স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভূমি সমস্যা ও নাগরিক সেবার বিষয়গুলো এবারের নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে সামনে এসেছে।
প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ায় ভোটের উত্তেজনা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে পাহাড়ের প্রতিটি জনপদে। সবকিছু সুষ্ঠুভাবে এগোলে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের তিনটি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
বিআলো/তুরাগ



