• যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • সংবাদ দিন
  • ই-পেপার
    • ঢাকা, বাংলাদেশ

    পাহাড়ে বইছে শৈতপ্রবাহ, দীর্ঘ সময় সূর্যের দেখা নেই 

     অনলাইন ডেক্স 
    05th Jan 2026 5:21 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    আবদুল হাই খোকন,কাপ্তাই: পাহাড় এখন শীতের দখলে। চারপাশ ধূসর, দীর্ঘ সময় ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। পার্বত্য জেলা রাঙামাটির বিভিন্ন উপজেলায় কয়েক দিন ধরে জেঁকে বসেছে তীব্র শৈতপ্রবাহ। কনকনে ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ সোমবার রাঙামাটিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সকাল ও রাতের দিকে ঘন কুয়াশা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা জনজীবনে ভোগান্তি বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    শৈতপ্রবাহের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন পাহাড়ি এলাকার খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষক, দিনমজুর, শিশু ও বয়স্করা। কনকনে ঠান্ডায় অনেকেই কাজে যেতে পারছেন না। কোথাও আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম রাখার চেষ্টা, আবার কোথাও পুরনো কাপড় ও কম্বলের ভেতরে গুটিসুটি মেরে বসে থাকার দৃশ্য চোখে পড়ছে।

    কাপ্তাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আহসান হাবিব জানান, শৈতপ্রবাহের প্রভাবে কৃষি খাতেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বোরো ধানের বীজতলা, শাকসবজি ও অন্যান্য শীতকালীন ফসল ‘কোল্ড ইনজুরি’র ঝুঁকিতে রয়েছে। কুয়াশা ও ঠান্ডার কারণে ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে।

    শীতের প্রভাবে হাটবাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। শ্রমজীবী মানুষের কাজের সময় ও আয় দুটোই কমে যাচ্ছে। একই সঙ্গে এই আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে মানুষের স্বাস্থ্যের ওপরও। হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গত কয়েক দিনে সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও হাঁপানির সমস্যা নিয়ে অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন। এর মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি।

    কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ওমর ফারুক রনি বলেন, কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসের কারণে রোগের ঝুঁকি বেড়েছে। শীত থেকে বাঁচতে গরম কাপড় ব্যবহার, ভোর ও রাতের ঠান্ডা এড়িয়ে চলা এবং অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

    ঘন কুয়াশা ও মেঘে আচ্ছন্ন আকাশের কারণে পার্বত্য এই জেলাগুলোতে শীতের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হচ্ছে। কুয়াশার কারণে সকালে সড়কে যান চলাচলে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাহাড়ে ঘন কুয়াশার প্রবণতা বাড়ছে। বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা বৃদ্ধি, বাতাসের গতিপথের পরিবর্তন এবং উত্তর দিক থেকে আসা শীতল বায়ুপ্রবাহ একসঙ্গে কাজ করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

    এদিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় একই ধরনের শীতল ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে।

    বিআলো/ইমরান

    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    M T W T F S S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031