বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, দুবাই কর্তৃক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, দুবাই কর্তৃক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ কনস্যুলেট, দুবাই ও উত্তর আমিরাত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ১৯৭২ ইং সালের ১০ই জানুয়ারী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করেছে। উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল-এর কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনতা ব্যাংক ও বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স-এর কর্মকর্তাবৃন্দ, দুবাই ও উত্তর আমিরাতের ছয়টি প্রদেশের বাঙালি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দসহ প্রব্সাী বাংলাদেশীগণ  অংশগ্রহন করেন।
আলোচনা অনুষ্ঠানের পূর্বে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। মান্যবর কনসাল জেনারেল জনাব বি এম জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে এ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করে শোনান যথাক্রমে কনস্যুলেটের কাউন্সেলর (শ্রম) জনাব মোঃ আব্দুস সালাম এবং কাউন্সেলর (পাসপোর্ট ও ভিসা) জনাব মোহাম্মদ কাজী ফয়সাল। বাণীপাঠ শেষে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং অত:পর একটি উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার আবু জাফর চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার এস এ মোরশেদ, জনাব মোজহারউল্লাহ মিয়া, জনাব ইসমাইল গনি, ইঞ্জিনিয়ার আবু নাসের, বেগম কাওসার নাজ, জনাব সাইফুদ্দিন আহম্মেদ, জনাব আবু হেনা, জনাব মোঃ সবুজ, জনাব শিমুল মোস্তফা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। বক্তাগণ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা পায় বলে উল্লেখ করেন। তারা আরও বলেন, বিশ^ জনমতের চাপে পাকিস্তানী সামরিক চক্র বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল। 
সভাপতির বক্তব্যে মান্যবর কনসাল জেনারেল জনাব বি এম জামাল হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল বিশ^ রাজনীতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।  ১০ই জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তণের মাধ্যমে বাঙালি জাতির বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সকল আশঙ্কা ও উৎকন্ঠার অবসান ঘটে। বিজয়ী বীর হিসেবে স্বদেশ প্রত্যাবর্তণ করে রেসকোর্স ময়দানে তিনি যে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন তার মধ্যে দেশের মানুষ ও দেশের প্রতি অগাধ দেশপ্রেম ও বাংলাদেশকে সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিহিত ছিল। বাঙালি জাতিসত্ত্বার স¦রূপ কী হবে সে বিষয়ে তিনি আলোকপাত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে আমাদের বর্তমান প্রজন্ম নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে খুব শিঘ্রই উন্নত স্ম্যার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা সম্ভব হবে। 
অনুষ্ঠান শেষে সকলের উপস্থিতিতে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।