বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক দেশ গড়তে তারেক রহমানের ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করুন: রওশন আরা
অংকন তালুকদার, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: ‘এই নির্বাচন কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, এটি গণতন্ত্র বনাম দুঃশাসনের লড়াই। বাংলাদেশের মানুষ আজ দিশা খুঁজে পেয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপির তেজোদীপ্ত ও প্রজ্ঞাবান চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার দলকে নির্বাচিত করে তাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করবে দেশের জনগণ। বিএনপি বিজয়ী হলে তার নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে, দুঃশাসনের অবসান হবে এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল গোপালগঞ্জ জেলার সভাপতি রওশন আরা রত্না।
মহিলা দল গোপালগঞ্জ জেলার সভাপতি রওশন আরা রত্না বলেন, তারেক রহমানের বিএনপি মানে শুদ্ধ রাজনীতি ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা। সকল ধর্মের বর্ণের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে দল-মত, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবাইকে নিয়েই বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ পুনর্গঠন করা সম্ভব। তিনি, সকল ভেদাভেদ ভুলে তিনি আসন্ন সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ জেলা তথা দেশব্যাপী জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করে তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশের অস্তিত্বকে ঘোরতর অনিশ্চয়তা থেকে রক্ষা করেছিলেন জিয়াউর রহমান উল্লেখ করে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা ৭১ সালে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা এনেছিলেন।
রওশন আরা রত্না বলেন, বিগত ১৫–১৬ বছরে বিএনপি বহু আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছে। এই সময়ে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী গুম, খুন ও হত্যার শিকার হয়েছেন। হাজার হাজার, লাখো নেতাকর্মী—বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা—গায়েবি মামলা, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তারা ভোটাধিকার ও জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য মতামত প্রকাশ করতে পারেননি। মতামত প্রকাশ করলে গুম-খুনের শিকার হতে হয়েছে। এখন সময় এসেছে ভোটাধিকার প্রয়োগের।
গোপালগঞ্জ জেলার মহিলা দলের সভাপতি রওশন আরা রত্না বলেন, বিএনপি জনগণের কাছে একটি পরীক্ষিত দেশপ্রেমিক দল।’ বর্তমানে দেশের উদ্ভুত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত এবং জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণের লক্ষে বিএনপির তেজোদীপ্ত ও প্রজ্ঞাবান চেয়ারম্যান তারেক রহমান (জিয়া) নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ার কার্যক্রম আরো এগিয়ে যাবে। ধানের শীষে একটি ভোট মানেই হবে লুটপাট, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সরাসরি গণরায়। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ বিপুল ভোটে বিএনপিকে নির্বাচিত করবে। সেই লক্ষে আমাদের আরো বেশি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশ এর উজ্জ্বল ভাবমূর্তি উত্তরোত্তর আরো বৃদ্ধি পাবে। সবার জন্য বয়ে আনুক সমৃদ্ধি ও বিজয়ের বাণী-এ কামনা করি।
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের জেলার অনান্য নেত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন বলেন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে সর্বাত্মক প্রচারণা চালাতে হবে। চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে দেবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মানুষকে সচেতন করতে হবে, বিএনপির পক্ষে জনসমর্থন বাড়াতে হবে। দল থেকে যাকেই প্রার্থী করা হোক না কেন, তার বিরোধিতা না করা যাবে না। বিদ্রোহী প্রার্থী এবং তাদের মদদদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিআলো/তুরাগ



