• যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • সংবাদ দিন
  • ই-পেপার
    • ঢাকা, বাংলাদেশ

    ভারতে বিমান বিধ্বস্ত: প্রাথমিক তদন্তে মিললো চাঞ্চল্যকর তথ্য 

     dailybangla 
    12th Jul 2025 7:20 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: ভারতের আহমেদাবাদে গত মাসে ২৬০ যাত্রী নিয়ে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনার প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, উড্ডয়নের তিন সেকেন্ড পরেই বিমানটির ইঞ্জিনের জ্বালানি সুইচগুলো প্রায় একইসঙ্গে ‘চালু’ অবস্থা থেকে ‘বন্ধ’ অবস্থায় চলে যায়। ফলে ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

    শনিবার (১২ জুলাই) ভারতের এভিয়েশন দুর্ঘটনা তদন্তকারীদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হওয়ার কারণে বোয়িং–৭৮৭ ড্রিমলাইনারটির গতি দ্রুত কমতে শুরু করে এবং নিচের দিকে নামতে থাকে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ককপিট ভয়েস রেকর্ডারে এক পাইলটকে অপর পাইলটকে জিজ্ঞেস করতে শোনা যায়, তিনি কেন জ্বালানি বন্ধ করেছেন। জবাবে ‘অপর পাইলট বলেন, তিনি জ্বালানি বন্ধ করেননি।’

    এসব কথা ক্যাপ্টেন, না কি ফার্স্ট অফিসার বলেছিলেন প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া দুর্ঘটনার আগে, ঠিক কোন পাইলট ‘মে ডে’ সংকেত পাঠিয়েছিলেন, সেটিও স্পষ্ট করা হয়নি। লন্ডনগামী ফ্লাইটটি কীভাবে ‘কাটঅফ’ অবস্থানে চলে গেল তাও বলা হয়নি।

    মার্কিন বিমান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জন কক্স বলেন, একটি পাইলটের পক্ষে ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহকারী এই সুইচগুলো ভুল করে নাড়ানো সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘একটু নড়াচড়া করলেই সুইচগুলো সরে যায়-এমন নয়।’

    ‘কাটঅফ’ অবস্থানে সুইচ চলে গেলে ইঞ্জিন প্রায় সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত একটি বিমান গন্তব্যের বিমানবন্দরের ফটকের সামনে থামলে এটি ব্যবহার করা হয়। অথবা ইঞ্জিনে আগুন লাগার মতো বিশেষ পরিস্থিতি দেখা দিলে। তবে ওই ফ্লাইটে এমন কোনো জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল কী না, প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়নি।

    ভারতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্তকারীরা জানিয়েছে, ‘তদন্তের বর্তমান পর্যায়ে বোয়িং ৭৮৭–৮–এর পরিচালনাকারী কিংবা প্রস্তুতকারকদের জন্য কোনো সুপারিশযোগ্য পদক্ষেপের কথা বলা হয়নি।’

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা যে, সেগুলো সহজে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। নিরাপত্তা বিশ্লেষক ডেভিড সোসি বলেন, এই সুইচগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে নাড়াচাড়া করার জন্য তৈরি। দুই ইঞ্জিনের জ্বালানি কাট-অফ সুইচ অনিচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল।

    দুর্ঘটনাগ্রস্ত ফ্লাইট AI171-এ ২৪২ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন, যাদের মধ্যে ১৬৯ ভারতীয়, ৫৩ ব্রিটিশ, সাত পর্তুগিজ এবং একজন কানাডিয়ান নাগরিক। এছাড়াও, মাটিতে থাকা বেশ কয়েকজন লোক নিহত হন, যাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন মেডিকেল কলেজের হোস্টেলের বাসিন্দা। সব মিলিয়ে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়ায় ২৬০ জনে।

    এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, তারা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে এবং দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, AI171 ফ্লাইট দুর্ঘটনায় যেসব পরিবার প্রিয়জন হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাই এবং এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে আছি।   সূত্র: সিএনএন

    বিআলো/শিলি

    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    M T W T F S S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031