যশোরের ছয় আসনের একটিতে স্বস্তিতে বিএনপি
আসাদুল ইসলাম শাওন, যশোর : এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে যশোর জেলার ৬টি আসনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে জানিয়েছেন ভোটাররা। এগুলোর ১টিতে বিএনপি ও ৫টিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তবে বিএনপির দলীয় কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় ভালো অবস্থানে থাকা কিছু আসনে চাপে আছে বিএনপি।
যশোর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজিজুর রহমানের সঙ্গে বিএনপির নুরুজ্জামান লিটনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। ভোটাররা বলছেন, আগে থেকেই আসনটিতে জামায়াতের প্রভাব বেশি।
যশোর-২ আসনে জামায়াতের মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের অবস্থান শক্ত। তবে বিএনপির সাবিরা সুলতানা ভোটারদের মন জয় করতে কাজ করে যাচ্ছেন। যদিও আসনটিতে মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের বিভেদ কাটাতে পারেননি তিনি।
যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। যশোরে ছয়টি আসনের মধ্যে বিএনপির একমাত্র এই প্রার্থী নির্ভার। দলের কেন্দ্রীয় নেতা এবং প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের সন্তান হওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এই আসনে ছয় জন প্রার্থী থাকলেও মূলত অমিতের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে জামায়াতের আব্দুল কাদেরের। তবে মাঠপর্যায়ে শক্ত অবস্থানে আছেন অমিত।
যশোর-৪ আসনে বিএনপির মতিয়ার রহমান ফারাজি শঙ্কায় আছেন। আসনটিতে বিএনপি বহু ভাগে বিভক্ত থাকায় দলীয় প্রার্থী ঝুঁকির মধ্যে আছেন। এই অবস্থায় জামায়াতের প্রার্থী গোলাম রসুল নির্ভার রয়েছেন।
যশোর-৫ আসনে বিএনপির বহিষ্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) শহীদ মো. ইকবাল হোসেনের (কলস) সঙ্গে জামায়াতের গাজী এনামুল হকের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। তবে বিএনপির রশীদ আহমাদ প্রার্থী হওয়ায় দলটির ভোট ভাগাভাগি হলে আসনটি বিএনপির হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে এমন আভাস পাওয়া গেছে। ভোটাররা বলছেন, হিন্দু অধ্যুষিত মনিরামপুরে হিন্দুরা যার দিকে ঝুঁকবেন; তার পাল্লা ভারী হবে। যশোর-৬ আসনে জামায়াতের মোক্তার আলী প্রচারে এগিয়ে আছেন। ভোটাররা তার দিকেই ঝুঁকছেন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ।
বিআলো/আমিনা



