• যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • সংবাদ দিন
  • ই-পেপার
    • ঢাকা, বাংলাদেশ

    ব্র্যান্ড ও ব্র্যান্ডিং: পণ্যের বাইরে যে পরিচয়ের গল্প 

     dailybangla 
    02nd Feb 2026 6:16 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    শুধু পণ্য নয়, গল্প, মূল্যবোধ ও অভিজ্ঞতাই এখন ব্র্যান্ডের শক্তি

    ব্র্যান্ড ছাড়া ব্যবসা যেন দিকনির্দেশনা ছাড়া যাত্রা। একটি প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়লেই বাড়ে তার অর্থনৈতিক সক্ষমতা। ব্র্যান্ডের শক্তিতে বদলাচ্ছে বাংলাদেশের ব্যবসার মানচিত্র।   আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় জন্ম নিচ্ছে নতুন উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশি ব্র্যান্ড। এছাড়াও একটি পোস্টেই ইমেজ গড়ে, আবার একটি ভুলেই ধ্বংস। বর্তমানে তরুণ উদ্যোক্তা ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিংয়ের নতুন ঢেউ উঠেছে। তাছাড়া অনলাইন বাজারেও টিকে থাকার প্রধান শর্ত এখন শক্তিশালী ব্র্যান্ড। ব্র্যান্ডিংয়ে পিছিয়ে থাকলে পিছিয়ে পড়বে দেশের অর্থনীতিও। যেখানে পণ্য শেষ, সেখানেই ব্র্যান্ডের শুরু। আমরা অনেকেই মনে করি লোগো মানেই ব্র্যান্ডিং, এটা কিন্তু সকল ক্ষেত্রে সঠিক নয় । এখানে বিশ্বাস হলো বিক্রির শিল্প এবং ব্র্যান্ডিংয়ের অদৃশ্য শক্তি। বলতে গেলে যেখানে পণ্য শেষ, সেখানেই ব্র্যান্ডের শুরু। ব্র্যান্ড ছাড়া উন্নয়ন: কতটা টেকসই, এটা প্রশ্নের লড়াই, খুব কঠিন, এটা হয়ে যাবে পণ্যের ভিড়ে পরিচয়ের সংকট ।  শক্তিশালী ব্র্যান্ডই শক্তিশালী অর্থনীতির পূর্বশর্ত। বিশ্ববাজারেও শক্তিশালী ব্র্যান্ড বা পণ্যের পরিচিতি ছাড়া অগ্রযাত্রা অসম্পূর্ণ থেকে যায় ।  ব্র্যান্ডিংয়ে বিনিয়োগ মানেই ভবিষ্যতে বিনিয়োগ। দূরদৃষ্টি থাকলে ব্র্যান্ডেই লুকিয়ে আছে উত্তরণের পথ। ভোক্তার আস্থা, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক ও ব্যবসায়িক সফলতার মূল চাবিকাঠি হয়ে উঠেছে ব্র্যান্ডিং।

    একটি পণ্য কেনা বা একটি সেবা গ্রহণের সময় ভোক্তা আজ আর কেবল দাম বা বৈশিষ্ট্য দেখে সিদ্ধান্ত নেন না। আধুনিক ব্যবসায়িক বাস্তবতায় ব্র্যান্ড ও ব্র্যান্ডিং এখন প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকের মধ্যে এক ধরনের অদৃশ্য সম্পর্কের প্রতীক। বাংলাদেশের বাজারেও এই ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে—যেখানে স্কয়ার, ওয়ালটন, আড়ং ও প্রাণের মতো প্রতিষ্ঠান শুধু পণ্য বিক্রি করছে না, বরং আস্থা, মান এবং গল্প বিক্রি করছে। এই প্রক্রিয়ায় ব্র্যান্ড ব্যবসাকে শুধু টিকে থাকতে সাহায্য করছে না, বরং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পরিচিতি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাসও গড়ে তুলছে।

    ব্র্যান্ড ও ব্র্যান্ডিং আধুনিক বাংলাদেশি ব্যবসার সফলতার মূল চাবিকাঠি হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলাদেশেও ব্র্যান্ড ও ব্র্যান্ডিং এখন শুধু বিপণনের কৌশল নয়; বরং এটি একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচয়, বিশ্বাসযোগ্যতা ও দীর্ঘমেয়াদি টিকে থাকার প্রধান ভিত্তি। পণ্যের গুণগত মানের পাশাপাশি ব্র্যান্ডের গল্প, মূল্যবোধ ও অভিজ্ঞতা আজ ভোক্তার সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রাখছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ব্যবসা, শিল্প ও অর্থনীতিতে ব্র্যান্ড ও ব্র্যান্ডিংয়ের গুরুত্ব, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নতুন করে আলোচনার দাবি রাখে।  বাংলাদেশ দ্রুত একটি ভোক্তানির্ভর ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, মধ্যবিত্ত শ্রেণির সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে দেশের বাজারে পণ্য ও সেবার বৈচিত্র্য বেড়েছে বহুগুণ। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় “ব্র্যান্ড” ও “ব্র্যান্ডিং” এখন আর বিলাসিতা নয়; বরং টিকে থাকা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য একেবারে অপরিহার্য একটি কৌশল।

    বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্র্যান্ড ধারণার বিবর্তন :
    এক সময় বাংলাদেশের বাজার ছিল মূলত মূল্যনির্ভর। কম দামে পণ্য বিক্রি করাই ছিল প্রতিযোগিতার প্রধান কৌশল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে ভোক্তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে। বর্তমানে ভোক্তা পণ্যের গুণগত মান, নিরাপত্তা, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতাকে আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো সাধারণ পণ্য বিক্রেতা থেকে শক্তিশালী করপোরেট ব্র্যান্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে ভোক্তার মনে দীর্ঘমেয়াদি আস্থা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

    ভোক্তা আস্থা ও ব্র্যান্ড লয়্যালটি: দেশীয় উদাহরণ
    বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে ব্র্যান্ডের গুরুত্ব বিশেষভাবে লক্ষণীয়। এই প্রতিষ্ঠানগুলো কেবল পণ্যের মাধ্যমে নয়, বরং মান নিয়ন্ত্রণ, গবেষণা ও করপোরেট সুনামের মাধ্যমে বাজারে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছে। ফলে সাধারণ ভোক্তার পাশাপাশি চিকিৎসকরাও নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের ওপর আস্থা রাখেন।

    পোশাক খাতে ব্র্যান্ডিংয়ের সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনা :
    বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হলেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশীয় পোশাক ব্র্যান্ডের সংখ্যা এখনও খুব সীমিত। অধিকাংশ কারখানা বিদেশি ব্র্যান্ডের জন্য কাজ করলেও নিজের ব্র্যান্ড গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে।তবে দেশীয় বাজারে আড়ং, লা রিভ, ইয়েলো, রিচম্যান কিংবা এক্সট্যাসির মতো ব্র্যান্ডগুলো প্রমাণ করেছে যে পরিকল্পিত ব্র্যান্ডিং থাকলে ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল খাতেও দেশীয় ব্র্যান্ড সফল হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পোশাক ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠার জন্য এখনো দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ড কৌশল, ডিজাইন ইনোভেশন ও গ্লোবাল মার্কেটিংয়ের ঘাটতি রয়েছে।

    ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং ও তরুণ প্রজন্ম :
    বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, যা ব্র্যান্ডিংকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। ফেসবুক, ইউটিউব ও ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে অনেক ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা নিজেদের ব্র্যান্ড তৈরি করছেন। ফুড ডেলিভারিte ফুড পান্ডা , অনলাইন শপ কিংবা হোম-বেইজড ব্যবসাগুলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে কম খরচে বড় পরিসরে পরিচিতি পাচ্ছে। তবে একই সঙ্গে ডিজিটাল মাধ্যমে ভুল তথ্য, নিম্নমানের সেবা কিংবা গ্রাহক অভিযোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বেড়েছে। ফলে ডিজিটাল যুগে ব্র্যান্ডিং মানে শুধু প্রচার নয়; বরং দায়িত্বশীল আচরণ ও স্বচ্ছতার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

    ব্র্যান্ড শক্তিশালী করতে কার্যকর প্রচার কৌশল খুব গুরুত্বপূর্ণ :
    বাংলাদেশের বাজারে শুধু ভালো পণ্য বা সেবা থাকলেই সফল হওয়া যায় না। সঠিক লক্ষ্যভিত্তিক ও সময়োপযোগী প্রচার কৌশল ছাড়া ব্র্যান্ড টিকিয়ে রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। বিশেষ করে ডিজিটাল ও গণমাধ্যমের বিস্তারের ফলে প্রচারের ধরন ও কৌশলে বড় পরিবর্তন এসেছে।

    প্রচারেই প্রসার :
    গণমাধ্যমভিত্তিক প্রচার : টেলিভিশন, পত্রিকা ও রেডিও এখনো বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রচারমাধ্যম।

    টিভি বিজ্ঞাপন: স্কয়ার, প্রাণ, বসুন্ধরা বা রবি-গ্রামীণফোনের মতো ব্র্যান্ডগুলো টিভি বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে দেশজুড়ে বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করেছে।

    পত্রিকা ও ম্যাগাজিন: দৈনিক পত্রিকার ফিচার, ক্রোড়পত্র ও বিজ্ঞাপন ব্র্যান্ডকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যায়, বিশেষ করে করপোরেট ও প্রিমিয়াম পণ্যের ক্ষেত্রে।

    রেডিও: শহর ও মফস্বলে ব্র্যান্ড রিকল বাড়াতে রেডিও এখনো কার্যকর মাধ্যম।

    গল্পভিত্তিক প্রচার (ব্র্যান্ড স্টোরিটেলিং) : আধুনিক ব্র্যান্ডিংয়ে গল্প বলার ক্ষমতা একটি বড় কৌশল।
    ওয়ালটন বা আড়ং-এর মতো ব্র্যান্ডগুলো নিজেদের উৎপত্তি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশীয় মূল্যবোধকে গল্প হিসেবে তুলে ধরে ভোক্তার আবেগের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করেছে।

    ডিজিটাল ও সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং :
    বর্তমানে বাংলাদেশের তরুণ ও শহরকেন্দ্রিক ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। এছাড়াও ফেসবুক ও ইউটিউব বিজ্ঞাপন, ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং, কনটেন্ট মার্কেটিং (ভিডিও, স্টোরি, রিল) | অনেক দেশীয় স্টার্টআপ শুধুমাত্র ফেসবুক পেজ ও অনলাইন প্রচারের মাধ্যমে ব্র্যান্ড গড়ে তুলছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, অতিরিক্ত প্রচার নয়—বরং সত্যনিষ্ঠ কনটেন্ট ও গ্রাহকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগই ডিজিটাল ব্র্যান্ডিংয়ের মূল শক্তি। “দেশের পণ্য, দেশের গর্ব” বা “মেইড ইন বাংলাদেশ” বা “স্থানীয় মানুষের জন্য স্থানীয় সমাধান|

    বিক্রয়োত্তর সেবা ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক প্রচার : বাংলাদেশের ভোক্তারা এখন অভিজ্ঞতাকে প্রচারের অংশ হিসেবেই দেখছেন। এছাড়াও ভালো কাস্টমার সার্ভিস, দ্রুত ওয়ারেন্টি ও সাপোর্ট এবং অভিযোগে তাৎক্ষণিক সাড়া | একজন সন্তুষ্ট গ্রাহকই হয়ে ওঠে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রচারমাধ্যম। মুখে-মুখে প্রচার (ওয়ার্ড অফ মাউথ) এখনো বাংলাদেশের বাজারে অত্যন্ত কার্যকর।

    সি এস আর কৌশল : করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা ও ইমেজ বিল্ডিং ব্র্যান্ডের সামাজিক ভূমিকা এখন প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সহায়তা, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ, দুর্যোগকালীন সহায়তা সহ এ ধরনের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানকে শুধু ব্যবসায়িক নয়, সামাজিক ব্র্যান্ড হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করে।

    স্থানীয় সংস্কৃতি ও ভাষাভিত্তিক প্রচার বাংলাদেশে প্রচারের ক্ষেত্রে স্থানীয় সংস্কৃতি ও ভাষার ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও আঞ্চলিক ভাষায় বিজ্ঞাপন, দেশীয় উৎসব (ঈদ, পহেলা বৈশাখ) কেন্দ্রিক ক্যাম্পেইন, গ্রামীণ ও শহুরে ভোক্তার জন্য আলাদা বার্তা এতে ব্র্যান্ডকে “নিজেদের”মনে হয়, যা আস্থার ভিত্তি তৈরি করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গণমাধ্যমভিত্তিক প্রচার ব্র্যান্ডকে “পরিচিত” করে তোলে, যা দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরিতে সহায়ক।

    বাংলাদেশের বাজারে কার্যকর ব্র্যান্ড গঠনের জন্য প্রচার কৌশল হতে হবে সমন্বিত, ধারাবাহিক ও বিশ্বাসযোগ্য। শুধু চোখে পড়ার মতো বিজ্ঞাপন নয়, বরং ভোক্তার জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করাই আধুনিক প্রচারের মূল লক্ষ্য। যে ব্র্যান্ডগুলো গণমাধ্যম, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, গ্রাহক অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাকে একসঙ্গে কাজে লাগাতে পারছে—তারাই ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এগিয়ে থাকবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার এই সময়ে ব্র্যান্ড ও ব্র্যান্ডিং শুধু ব্যবসায়িক সাফল্যের হাতিয়ার নয়; এটি দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি। যেসব প্রতিষ্ঠান পণ্য বিক্রির পাশাপাশি বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও অভিজ্ঞতা বিক্রি করতে পারছে, তারাই ভবিষ্যতের বাজারে নেতৃত্ব দেবে। সঠিক পরিকল্পনা, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ এবং মানসম্পন্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশি ব্র্যান্ডগুলো দেশীয় বাজার ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরেও নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পারবে ।

    রবিউল আলম মুন্না
    অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট,
    ব্র্যান্ড এন্ড কমিউনিকেশনস ডিপার্টমেন্ট,
    সাউথইস্ট ব্যাংক পি এল সি.

    বিআলো/তুরাগ

    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    February 2026
    M T W T F S S
     1
    2345678
    9101112131415
    16171819202122
    232425262728