শায়েস্তাগঞ্জের বাজারে দ্রব্যমুল্য লাগামহীন!

শায়েস্তাগঞ্জের বাজারে দ্রব্যমুল্য লাগামহীন!

এম হায়দার চৌধুরী, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে বেড়েই চলছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম, এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণমানুষ। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে দাম বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের। জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নিত্য আয়ের মানুষদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পুরান বাজারে পেয়াজ কেজি ৪০ টাকা, সয়াবিন তেল কেজি ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা লিটার, পামওয়েল বিক্রি হচ্ছে ১১৫-১২০ টাকা দরে, আটা কেজি ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি, চিনির কেজি ৭৫ টাকা, মসুরি ডাল হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। এদিকে বাজারে হাতের নাগালে নেই চালের দামও। মিনিকেট চাল কেজি পিচে ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি, সিদ্ধ চালের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকা কেজি।

উপজেলার পুরানবাজারের পাইকারি মুদিমাল বিক্রেতা জাহির আহমেদ জানান, চলতি সপ্তাহে অনেক জিনিসের দাম বেড়েছে, প্রতিটা পণ্য বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। তাই খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।

আরেক ব্যবসায়ী এখলাছ মিয়া জানান, তার আগের মাল থাকায় তিনি দাম কমিয়েই বিক্রি করছেন, তবে স্টক শেষ হয়ে গেলে নতুন রেটেই জিনিসপত্র কিনে বিক্রি করতে হবে।

আব্দুস সালাম নামে এক শ্রমিক জানান, এমনিতেই আয় রোজগার কম, এর মাঝে জিনিসপত্রের দাম যেহারে বাড়ছে, আমাদের টিকে থাকা মুশকিল হবে।

তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও স্বস্তি রয়েছে কেবল শাকসবজির বাজারে। বাজারে টমেটো ১০ টাকা কেজি, ডায়মন্ড আলু কেজি ২০ টাকা, বেগুন ২০ টাকা, ঢেড়স ৪০ টাকা, পুইশাক ২০ টাকা, ধনিয়াপাতা ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে৷ কাচামালের দাম হাতের নাগালে থাকায় খানিকটা স্বস্তিবোধ করেছেন সাধারণ মানুষ।

এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো: মিনহাজুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি দ্রব্যমুল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। খুব শ্রীঘ্রই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং করতে অভিযানে যাব।

বিআলো/শিলি