আপনাদের সমর্থন পেলে গুলিকেও ভয় পাই না: স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া
গোপালগঞ্জ-২ আসন
অংকন তালুকদার, গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, সফল ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তি খাতের পরিচিত মুখ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুল বলেছেন, “আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়েই আমি টেলিফোন প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। আপনাদের ভালোবাসা পাশে থাকলে, আপনাদের সমর্থন পেলে গুলিকেও ভয় পাই না।”
তিনি বলেন, গোপালগঞ্জে লক্ষাধিক শিক্ষিত বেকার যুবক রয়েছে। এসব যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। “আমি আপনাদের সন্তান। সুখে-দুঃখে সবসময় আপনাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি। আপনারা ভয় পাবেন না—প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকবে এবং একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি টেলিফোন মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে জয়ী করুন,”—বলেন তিনি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ সদর ও কাশিয়ানী উপজেলার (আংশিক) বিভিন্ন গ্রামে গণসংযোগকালে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুল।
তিনি আরও বলেন, “আমার রাজনৈতিক দর্শন খুব পরিষ্কার। আমি কারও বিরুদ্ধে কটূক্তি বা দোষারোপের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। কাদা ছোড়াছুড়ি নয়—নিজের কাজ, ইতিবাচক আচরণ ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে জনগণের মন জয় করতে চাই।”
নিজের অতীত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে তাঁকে একাধিকবার কারাবরণ করতে হয়েছে। তবে কারাবরণকে তিনি শাস্তি নয়, বরং বাস্তবতা উপলব্ধির একটি বড় শিক্ষা হিসেবে দেখেন। “কারাগারের দিনগুলো আমাকে আরও দায়িত্বশীল, ধৈর্যশীল ও মানবিক করেছে। জেল-জুলুম আমাকে মানুষের সেবা করার সংকল্প থেকে সরাতে পারেনি, বরং আরও দৃঢ় করেছে,”—বলেন তিনি।
কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুল বলেন, তিনি কোনো পদ বা ক্ষমতার লোভে নির্বাচনে আসেননি; এসেছেন মানুষের কণ্ঠস্বর হতে। “গোপালগঞ্জ সবার। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবেই, কিন্তু উন্নয়ন, শান্তি ও জনকল্যাণের প্রশ্নে আমাদের সবাইকে এক সুতোয় বাঁধা থাকতে হবে,”—উল্লেখ করেন তিনি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমি একটি অংশগ্রহণমূলক, বৈষম্যমুক্ত ও প্রগতিশীল গোপালগঞ্জে বিশ্বাস করি। প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক চিন্তা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয় ঘটিয়েই একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ গোপালগঞ্জ গড়া সম্ভব।”
শেষে তিনি সবাইকে কাদা ছোড়াছুড়ি পরিহার করে উন্নয়ন ও সত্যের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং কর্মী-সমর্থকদের নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেন।
বিআলো/তুরাগ



