কুমিল্লায় তারেক রহমানের জনসভা: নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন গতি
দাউদকান্দি–চৌদ্দগ্রামে বিএনপির তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে আসছেন তারেক রহমান
মো. শাহাদাত হোসেন তালুকদার, দাউদকান্দি: দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর কুমিল্লার মাটিতে ফিরছে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দাউদকান্দি, চৌদ্দগ্রাম ও সদর দক্ষিণে তার আগমন রাজনৈতিক উত্তেজনার নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা দলের তৃণমূলকে উদ্দীপনা জোগাচ্ছে।
তারেকের কুমিল্লা সফর ও জনসভা
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিএনপির প্রার্থী, সাবেক মন্ত্রী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে কুমিল্লায় আসছেন তারেক রহমান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বিকাল ৫টায় চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠে প্রথম জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যা ৭টায় সদর দক্ষিণ উপজেলার সোয়াগাজীর ডিগবাজী মাঠে এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দাউদকান্দি উপজেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জনসভায় অংশ নেবেন।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন জানিয়েছেন, এই কর্মসূচি কেন্দ্র করে কুমিল্লায় ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জনসমাগমের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। দলীয় নেতারা মনে করছেন, তিনটি জনসভায় মিলিয়ে ২০ থেকে ২৫ লাখ মানুষের উপস্থিতি হতে পারে।
প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা
দাউদকান্দি মডেল মসজিদের সামনে অবস্থিত কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে মঞ্চ নির্মাণসহ সার্বিক প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। এলইডি প্রজেক্টর, উন্নত সাউন্ড সিস্টেম, যানবাহন পার্কিংসহ সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। চৌদ্দগ্রাম ও সদর দক্ষিণের সমাবেশস্থলেও একই ধরনের প্রস্তুতি লক্ষ্য করা গেছে।
নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক দল ও দলীয় নিরাপত্তা টিম দায়িত্ব পালন করবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা ইতোমধ্যেই সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছেন।
রাজনৈতিক প্রভাব
দলীয় প্রধানের আগমনকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই তারেক রহমানকে এক নজর দেখার আশায় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কুমিল্লায় এই সফর ও জনসভাগুলো শুধু বিএনপির জন্য নয়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সামগ্রিক রাজনৈতিক সমীকরণেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
সাংবাদিকদের সুবিধা
সমাবেশে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে সাংবাদিকদের জন্য নির্দিষ্ট প্রবেশব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনসভাস্থলে প্রবেশের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে।
বিআলো/তুরাগ



