• যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • সংবাদ দিন
  • ই-পেপার
    • ঢাকা, বাংলাদেশ

    গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পকে হুমকি দেওয়া বন্ধ করতে বললেন ডেনিস প্রধানমন্ত্রী 

     অনলাইন ডেক্স 
    05th Jan 2026 7:24 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক : ভেনেজুয়েলার পর এবার ডেনমার্কের গ্রিনল্যান্ডের দিকে নজর দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গ্রিনল্যান্ড দখল করার বিষয়ে হুমকি দেওয়া বন্ধ করতে বলেছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন  ।

    মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গ্রিনল্যান্ড দখল করা প্রয়োজন, এসব কথা বলার কোনো অর্থ নেই।” তার মতে, “ড্যানিশ কিংডমের অন্তর্ভুক্ত তিনটি ভূখণ্ডের কোনোটিকেই দখল করার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের নেই।”

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহকারী স্টেফেন মিলারের স্ত্রী কেটি মিলার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে গ্রিনল্যান্ডের একটি মানচিত্র পোস্ট করার পরই ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন। ওই মানচিত্রটিতে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার রং ব্যবহার করা হয় এবং তাতে লেখা ছিল, ‘শিগগিরই’। কেটি মিলার ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তার সহকারী ছিলেন।

     

    এর আগেও ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান ও খনিজ সম্পদের কথা উল্লেখ করে বারবার দ্বীপটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনার কথা বলেছেন। ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর তিনি সেই অবস্থান আরও কঠোরভাবে পুনর্ব্যক্ত করেন।

    ড্যানিশ সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেন, ডেনমার্ক ন্যাটোর সদস্য। সেই সূত্রে গ্রিনল্যান্ডও ন্যাটোর নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় পড়ে।

    দ্বীপটিতে মার্কিন প্রবেশাধিকারের জন্য ডেনমার্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আগেই একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর রয়েছে। মেটে ফ্রেডেরিকসেন আরও জানান, আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে ডেনমার্ক সেখানে বিনিয়োগও বাড়িয়েছে।

    এর কয়েক ঘণ্টা পর ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।“

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত কেটি মিলারের সামাজিক মাধ্যমে ওই পোস্টের পরিপ্রেক্ষিতে জবাব দেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশ মিত্র এবং ডেনমার্ক তার ভূখণ্ডের অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রত্যাশা করে।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থ রক্ষা হবে । কারণ দ্বীপটির অবস্থান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং আধুনিক প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সেখানে রয়েছে।

    ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র  একজন বিশেষ দূত নিয়োগ দিয়েছে গ্রিনল্যান্ডে। যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তে ডেনমার্ক ক্ষোভ প্রকাশ করে।

    গ্রিনল্যান্ডে প্রায় ৫৭ হাজার মানুষের বসবাস। ১৯৭৯ সাল থেকে সেখানে স্বায়ত্তশাসন থাকলেও সেখানকার প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি এখনও ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে।

    গ্রিনল্যান্ডের অধিকাংশ মানুষ ডেনমার্ক থেকে স্বাধীনতার পক্ষে। তবে জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়ার বিষয়ে তাদের মধ্যে তীব্র বিরোধিতা রয়েছে।

    বিআলো/এনএনইউ

    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    M T W T F S S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031