গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লাখ গাছ : চসিক মেয়র
চট্টগ্রাম ব্যুরো : গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লাখ গাছ। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে গাছ রোপণ কর্মসূচী হাতে নেওয়া হচ্ছে। গতকাল রবিবার দেওয়ানহাট ওভারব্রিজের সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়ন প্রকল্পের উদ্বোধনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ কথা জানান।
প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ফুল, ফল ও ঔষধি গাছ লাগানো হয়েছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন মইনূল হোসেন আলী চৌধুরী জয়, নগর পরিকল্পনা বিভাগ, খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান (স্বত্বাধিকারী, সুরমা এডভারটাইজার), মুহ্তাসিম রহমান সরোজ (প্রকল্প স্থপতি ও সহকারী ব্যবস্থাপক, প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপ), মো. আফাজুল্লাহ, খোন্দকার মেরাজুর রহমান।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ক্লিন ও গ্রিন চট্টগ্রাম গড়ার লক্ষ্যে নগরীর পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে ১০ লক্ষ গাছ রোপণের কাজ করছি। নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডকে সবুজায়নের মাধ্যমে সৌন্দর্যমণ্ডিত করার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকেও কাজে লাগানো হচ্ছে।
নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও মিড-আইল্যান্ডের গাছের পরিচর্যা নেওয়া হচ্ছে এবং নতুন গাছ লাগানো হচ্ছে। মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর জন্য পরিচিত। এখানে গাছের গুরুত্ব আরও বেশি। শহরের দ্রুত বৃদ্ধির সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
পাহাড়ি এলাকার গাছপালা শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না তা ভূমি ক্ষয় রোধ, বন্যা ও ভূমিধস প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ। নগরীর আশপাশের বনভূমি ও সবুজ অঞ্চল রক্ষা করা, নদী ও সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় গাছ রোপণ করা, সবই চট্টগ্রামের পরিবেশ ও বাসযোগ্যতা উন্নত করতে সহায়তা করে।
গাছ কেবল পরিবেশের শোভা নয় শহরের জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং চট্টগ্রামকে আরও সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য করে তোলে। চসিক মেয়র বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে হবে। বন উজাড়, পাহাড় কাটা এবং গাছ কাটা থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের কর্মকাণ্ড রোধে শক্তিশালী আইন প্রণয়ন এবং কঠোর বাস্তবায়ন জরুরি। উদাহরণস্বরূপ কানাডার টরন্টো শহরে অনুমতি ছাড়া গাছ কাটলে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়। আমাদের দেশেও এমন বিধান থাকা প্রয়োজন যাতে পরিবেশের ক্ষতি কমানো যায় এবং প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শক্তিশালী হয়।
বিআলো/আমিনা



