তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ হবে উন্নয়নশীল রাষ্ট্র: জয়নুল আবদিন ফারুক
নিজস্ব প্রতিবেদক: বছরো বছর ধরে দেশের মানুষ রাজনৈতিক চাপে ও নির্যাতনের মধ্য দিয়ে সংগ্রাম করে এসেছে। সেই দীর্ঘ যাত্রার পর, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে জনগণ সৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে দেশ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছে। এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও আশা আগামী বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন করবে। বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক এ কথাই উল্লেখ করেছেন।
ফারুক বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করলে আগামী দিনের বাংলাদেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মো. ইউনুস এর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও দৃঢ়তায় মানুষের বহু আকাঙ্ক্ষিত ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে। তবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে বানচালের জন্য ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি বলেন, “আমরা যদি সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকি, তবে কোন ষড়যন্ত্রই নির্বাচনকে ব্যাহত করতে পারবে না।”
১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমন্বয় পরিষদ আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিক্ষক দিবস উদযাপন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়নুল আবদিন ফারুক। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শিক্ষাবিষয়ক অবদান, শিক্ষকদের উন্নয়নে তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
ফারুক বলেন, “তারেক রহমান বলেছেন: ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান, উই হ্যাভ এ প্ল্যান’। জনগণ বিএনপিকে দেশের নেতৃত্ব দিলে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব।”
জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক প্রিন্সিপাল মো. শফিকুল ইসলাম, এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক শেখ ফরিদ উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট রফিক শিকদার, সাংস্কৃতিক সংগঠক ও জাতীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম, প্রফেসর সালাহউদ্দিন আহমদ, প্রিন্সিপাল ইশরাত জাহান, হোসনেয়ারা বেগম, অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম ও এডভোকেট আলমগীর কবির।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার উন্নয়নে কৃতি ব্যক্তিদের শিক্ষা সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মানিত ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক, ড. মোশাররফ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জাতীয়তাবাদী মুক্তি যোদ্ধা দলের সাবেক সভাপতি, ক্রীড়া সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহউদ্দিন সাবু (মরণোত্তর)
প্রিন্সিপাল মো. শফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
বিআলো/তুরাগ



