• যোগাযোগ
  • সংবাদ দিন
  • ই-পেপার
    • ঢাকা, বাংলাদেশ

    পাকিস্তানে টিকটক করায় মেয়েকে গুলি করে হত্যা করলেন বাবা 

     dailybangla 
    31st Jan 2025 10:18 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: টিকটক ভিডিও করায় কিশোরী মেয়েকে গুলি করে হত্যা করেছে বাবা মার্কিন নাগরিকত্বধারী আনোয়ার উল-হক। সেই সূত্রে হিরার জন্ম হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তার পরিবারটি ২৫ বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছিল এবং হীরা তার পরিবার পাকিস্তানে আসার আগে থেকেই টিকটকে কন্টেন্ট পোস্ট করা শুরু করে।

    লন্ডনভিত্তিক ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কোয়েটায় এ ঘটনা ঘটে। তবে মেয়েকে হত্যার কথা স্বীকার করার পর বাবা আনোয়ার উল-হকের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের বলেছিলেন যে গুলি অন্য কেউ করেছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাকিস্তানে পরিবার নিয়ে স্থানান্তরিত হন আনোয়ার। তার মেয়ের পোস্টগুলো তার কাছে ‘আপত্তিকর’ বলে মনে হয়েছে জানিয়ে মার্কিন নাগরিকত্বধারী ওই বাবা জানান, তিনি তার মেয়ে হিরার টিকটক করা পছন্দ করতেন না।

    তদন্তকারীরা বিবিসিকে জানান, হীরার ফোন তাদের হাতে এসেছে তবে সেটি লক করা। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বাবার শ্যালককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদি এটি ‘অনার কিলিং’ হত্যাকাণ্ড বলে প্রমাণিত হয় এবং তারা দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর মতে, প্রতি বছর পাকিস্তানে শত শত মানুষ বিশেষ করে নারীরা তথাকথিত অনার কিলিং এর শিকার হন। এই হত্যাকাণ্ডগুলো সাধারণত আত্মীয়স্বজনরা করে থাকেন যাদের যুক্তি তারা পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে এই হত্যা করেছেন।

    পুলিশ জানায়, ১৩ থেকে ১৪ বছর বয়সী হিরার পোশাক, জীবনযাত্রা এবং চলাফেরা নিয়ে আপত্তি ছিল তার পরিবারের। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তারা সকল দিক বিবেচনা করে তদন্ত করছেন। যার মধ্যে অনার কিলিং (সম্মান রক্ষার্থে) হত্যার সম্ভাবনাও রয়েছে। যা পাকিস্তানে স্বাভাবিক ঘটনা।

    বিআলো/শিলি

    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    August 2025
    M T W T F S S
     123
    45678910
    11121314151617
    18192021222324
    25262728293031