প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
গত ২৭ আগস্ট ও ২৮ আগস্ট বিভিন্ন গণমাধ্যমে “মোবারকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়” সম্পর্কে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ওই সংবাদটি দৃষ্টিগোচর হয়েছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সকল শিক্ষকদের। ওই সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষকরা বলেন, কুলাউড়ার টিলাগাঁও ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো মোবারকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ের অনেক সুখ্যাতি রয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিষ্ঠা ও কর্তব্যের সাথে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান দিয়ে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে এই বিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা করে অনেকেই দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে সুনামের সাথে চাকুরী করছেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা খুর্শেদা ইয়াসমিন প্রথম শ্রেণীর পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বারান্দায় দাঁড়ানো অবস্থায় অভিভাবকদের কয়েকটি (পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর বলে দেয়ার অভিযোগ এনে) ছবি তুলে অন্য আরেকজন শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের প্ররোচনায় সাংবাদিকদের কাছে পাঠান। বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে একজন শিক্ষক কিভাবে সাংবাদিকদের কাছে ছবি পাঠান সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা শিক্ষকরা বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীসহ অন্য শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের স্নেহ মমতা দিয়ে পাঠদান করাচ্ছি। এখানে শিক্ষকদের কোন অবহেলা নেই। প্রকাশিত ওই সংবাদে উল্লেখ করা হয়, কয়েকজন অভিভাবক উপজেলা প্রশাসনে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগকারী রুনেল আহমদ ও মাসুক মিয়া বিদ্যালয়ের অভিভাবক নন। এতে প্রমাণ হয়, বিদ্যালয়ের সুনাম ও ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার জন্য কিছু অভিভাবক ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক খুর্শেদা ইয়াসমিন সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উপজেলা প্রশাসনে লিখিত অভিযোগ দেন এবং সংবাদটি প্রচার করান। ওই সংবাদের কারণে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টির মানসম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আমরা মনে করি। এতে আমরা শিক্ষকবৃন্দ মর্মাহত হয়েছি। প্রয়োজনে আমরা প্রতিকারের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিব। এই বিষয়ে এলাকার সম্মানিত অভিভাবকসহ সুশীল সমাজকে বিব্রত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আমরা ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছি।
সকল শিক্ষকবৃন্দ
মোবারকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টিলাগাঁও, কুলাউড়া।
বিআলো/ইমরান