প্রকৃতি ও মানুষের কল্যাণে সাহসী প্রতিষ্ঠানই দেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন: রিজওয়ানা হাসান
পরিবেশ ও সমাজসেবায় স্বীকৃতি: রুনা খানের হাত ধরে ‘প্রকৃতি ও জীবন পদক’
নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, “প্রকৃতি ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা সাহসী ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোই দেশের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় যারা মাঠপর্যায়ে সেবা পৌঁছে দেয়, তাদের সঙ্গে সরকারের সমন্বিত কাজ অত্যন্ত জরুরি।”
আজ সোমবার প্রকৃতি, পরিবেশ ও প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিতে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডশিপ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক রুনা খান-কে ‘প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন-চ্যানেল আই প্রকৃতি সংরক্ষণ পদক ২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে তাকে এক লাখ টাকার চেক এবং আজীবন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবার সনদও দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ জিয়াউল হক। এছাড়া সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশ আন্দোলনের প্রতিনিধি, গবেষক, সাংবাদিক এবং নাগরিক সমাজের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ফ্রেন্ডশিপ ২০০২ সালে একটি পরিত্যক্ত জাহাজকে ভাসমান হাসপাতালে রূপান্তরের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, নিরাপদ পানি, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো, নাগরিক অধিকার ও জীবিকাভিত্তিক উন্নয়নে সমন্বিত মডেল হিসেবে স্বীকৃত। প্রতি বছর প্রায় ৭৫ লাখের বেশি মানুষ সরাসরি তাদের কার্যক্রমের সুফল পাচ্ছেন। উপকূলীয় অঞ্চলে ম্যানগ্রোভ বনায়ন প্রকল্পের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীল জীবিকা গড়ে তোলা হচ্ছে।
বিআলো/তুরাগ



