• যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • সংবাদ দিন
  • ই-পেপার
    • ঢাকা, বাংলাদেশ

    মতলব উত্তরে আমড়া পাড়াকে কেন্দ্র করে পুত্রবধূর আঘাতে শ্বশুর গুরুতর আহত 

     dailybangla 
    10th Aug 2025 7:22 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিণ রামদাসপুরে পারিবারিক বিরোধের জেরে পুত্রবধূর লাঠিসোটা ও ইটের আঘাতে শ্বশুর গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আহতের নাম আব্দুল বারেক বেপারী (৬৫)। এ বিষয়ে আব্দুল বারের বেপারী বাদী হয়ে পুত্রবধূ লাকি বেগমের নামে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১০ আগস্ট ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আব্দুল বারেক বেপারী তার বাড়ির পাশে থাকা একটি আমড়া গাছ থেকে আমড়া পাড়েন। এসময় তার পুত্রবধূ লাকি বেগম (৩৫) পিতার বাড়ি থেকে এসে আমড়া পাড়ার কারণ জানতে চান এবং গালমন্দ করেন। প্রতিবাদ করলে তিনি লাঠিসোটা দিয়ে শ্বশুরকে পেটান, এতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়। পরে ইট নিক্ষেপ করলে তা তার পিঠ ও হাতে আঘাত করে মারাত্মক রক্ত জমাট ক্ষত সৃষ্টি হয়।

    এসময় শ্বশুরের চিৎকারে স্ত্রী মাজেদা বেগম এগিয়ে এলে তাকেও মারধরের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, লাকি বেগম হুমকি দিয়ে বলেন।এ ঘটনায় মামলা করলে প্রাণে হত্যা করে লাশ গুম করা হবে এবং বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হবে।

    আহত শ্বশুর আব্দুল বারেক বেপারী বলেন, আমি একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষ। গত ১ বছর আগে আমাদের ঘর থেকে বেড় করে দিয়েছে আমার পুত্রবধূ। এরপরই আমি এখন আমার স্ত্রী আলাদা থাকি। আমরা ছেলের কাছে ভরণপোষণ চাইলে নানা অজুহাতে ঝগড়া বাধায়। সেদিন শুধু আমড়া পাড়তে গিয়েছিলাম, কিন্তু সে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে লাঠি ও ইট দিয়ে আমাকে মারধর করেছে। আমি এখন ভীষণ ভয়ে আছি।

    এ বিষয়ে লাকী বেগমে সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করো তাকে পাওয়া যায়নি।

    মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, ঘটনার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব। প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধ থেকে সৃষ্ট সংঘর্ষ বলেই মনে হচ্ছে।

    বিআলো/তুরাগ

    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    M T W T F S S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031