মানসম্মত ও বাস্তবমুখী গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, আমাদের দেশে বিজ্ঞান ও গবেষণা দীর্ঘদিন ধরে বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ গুরুত্ব না পেয়ে অনেকাংশে সাজসজ্জার উপকরণ হিসেবেই ব্যবহৃত হয়েছে। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে মানসম্মত, বাস্তবমুখী ও প্রয়োগযোগ্য গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি আজ ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)-এ আয়োজিত ‘Research Methodology for NAPE Faculties and Field Level Researchers’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে শিক্ষিত করে গড়ে তোলা। এই লক্ষ্য অর্জনে গবেষণা হতে হবে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নমুখী এবং সমস্যার সমাধানভিত্তিক। বাস্তব সমস্যার আলোকে গবেষণার বিষয় নির্বাচন করতে হবে এবং সম্ভাব্য সমাধানের উপায়গুলো কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গবেষণার ফল যেন নীতিনির্ধারণ ও মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজে প্রতিফলিত হয়, সেদিকে গবেষকদের বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। কাগুজে গবেষণা নয়, বাস্তব প্রয়োগযোগ্য গবেষণাই পারে শিক্ষা ব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে।
কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের মাঠ পর্যায়ে গবেষণা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা এবং জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) অনুষদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালার মাধ্যমে গবেষকদের গবেষণা পদ্ধতি সম্পর্কে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মানসম্মত গবেষণা পরিচালনার সক্ষমতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। তিনি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, প্রাপ্ত গবেষণালব্ধ জ্ঞান সঠিকভাবে প্রয়োগ করা গেলে শিক্ষাক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠান শেষে কর্মশালার সফলতা কামনা করে অতিথিরা অংশগ্রহণকারী গবেষক ও কর্মকর্তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
বিআলো/তুরাগ



