মালখানগর হাইস্কুল অ্যান্ড ডিগ্রি কলেজ রোড দ্রুত সংস্কারে দাবীতে : এ.কে.এম ফখরুদ্দীন রাজী
সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মালখানগর হাইস্কুল অ্যান্ড ডিগ্রি কলেজ সড়ক থেকে মালখানগর চৌরাস্তা পর্যন্ত সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের এমপি প্রার্থী এ.কে.এম ফখরুদ্দীন রাজী।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় মালখানগর সফরে এসে তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয়রা তার কাছে সড়কের বেহাল অবস্থার কথা তুলে ধরেন। সফরকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি খিজির আব্দুস ছালাম, সেক্রেটারি মজিবুর রহমানসহ মালখানগর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি, সেক্রেটারি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
জীর্ণশীর্ণ সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে এ.কে.এম ফখরুদ্দীন রাজী বলেন, মালখানগর হাইস্কুল অ্যান্ড ডিগ্রি কলেজ সিরাজদিখান উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের চলাচল। অথচ দীর্ঘদিন ধরে অজ্ঞাত কারণে সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় ধুলাবালি ও ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
তিনি আরও বলেন, এই সড়ক সংস্কারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা জরুরি। উপজেলা প্রশাসন ও এলজিইডির নিকট দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করার জোর দাবি জানানো হবে।
এলাকাবাসী জানান, মালখানগর চৌরাস্তা থেকে হাইস্কুল অ্যান্ড ডিগ্রি কলেজ পর্যন্ত সড়কটি এলাকার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পথ। এর আশপাশে রয়েছে একাধিক স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, হাসপাতাল, হাটবাজার ও হিমাগার। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিন ধরে এটি বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও মাঝপথে কাজ অসম্পূর্ণ রেখে ঠিকাদার উধাও হয়ে যায়। ফলে প্রায় এক বছর ধরে সড়কটি সংস্কারবিহীন অবস্থায় রয়েছে। ভাঙাচোরা রাস্তা ও উড়ন্ত ধুলাবালির কারণে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ধুলাবালির কারণে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও সর্দিসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।
শিক্ষার্থীরা জানান, দ্রুত সরকারি উদ্যোগে সড়কটি মেরামত না করা হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেবে। তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
বিআলো/ইমরান



