মেসি-ডি ব্রুইনা যুগলবন্দির সম্ভাবনা!
স্পোর্টস ডেস্ক: ম্যানচেস্টার সিটির মহাতারকা কেভিন ডি ব্রুইনা মৌসুম শেষে ইউরোপ ছাড়তে পারেন এবং যদি গন্তব্য হয় মেজর লিগ সকার (এমএলএস), তাহলে সবচেয়ে বড় সম্ভাবনার নাম ইন্টার মায়ামি।
এমএলএস-এর নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ক্লাব একসাথে পাঁচজন খেলোয়াড়কে তাদের ‘ডিসকভারি তালিকায়’ রাখতে পারে। এই তালিকাভুক্ত খেলোয়াড়দের সঙ্গে চুক্তি আলোচনার একচেটিয়া অধিকার থাকে সেই ক্লাবের।
ইএসপিএন-এর এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ডি ব্রুইনার ওপর এই ‘ডিসকভারি রাইটস’ রয়েছে ইন্টার মায়ামির দখলে। অর্থাৎ, ইউরোপ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলে প্রথম প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ আছে মায়ামির।
৩৩ বছর বয়সী ডি ব্রুইনা ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছেন, ২০২৩-২৪ মৌসুম শেষে তিনি সিটি ছাড়বেন। জুন মাসে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে এবং এরপর তিনি ফ্রি এজেন্ট হিসেবে যেকোনো দলে যোগ দিতে পারবেন। ফুটবল ক্যারিয়ারের শেষ ধাপে এসে এক বড় অঙ্কের চুক্তিতে আমেরিকায় পাড়ি জমানোর সম্ভাবনাই প্রবল।
ইন্টার মায়ামি ইতোমধ্যেই তারকায় ভরপুর একটি স্কোয়াড তৈরি করেছে লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ, জর্দি আলবা ও সের্হিও বুসকেতসকে একত্রিত করে তারা যেন পুরনো বার্সেলোনাকেই ফিরিয়ে এনেছে।
এবার যদি ডি ব্রুইনা যোগ দেন, তবে ফুটবলপ্রেমীরা পেতে পারেন মেসি-ডি ব্রুইনা জাদুকরি যুগলবন্দি, যা মায়ামিকে এনে দিতে পারে আরও শিরোপা, আরও ইতিহাস।
ডি ব্রুইনা ২০১৫ সালে উলফসবার্গ থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেন এবং এখন পর্যন্ত ক্লাবটির হয়ে জিতেছেন ১৪টি বড় শিরোপা, যার মধ্যে রয়েছে ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ ও একটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি।
সামাজিক মাধ্যমে বিদায় বার্তায় ডি ব্রুইনা লিখেছেন “এই কথা লেখা সহজ নয়। তবে একজন ফুটবলারের জীবনে এমন দিন আসেই। সেই দিন আজ এসেছে এবং এই খবর প্রথমে আমার দিক থেকেই আসা উচিত। এই ক্লাব, এই শহর, এই মানুষজন আমাকে সব দিয়েছে। আর আমি চেষ্টা করেছি সব ফিরিয়ে দিতে। আর দেখো, আমরা সবকিছু জিতেছি। ”
শেষে তিনি বলেন “প্রতিটি গল্পেরই শেষ থাকে। তবে নিঃসন্দেহে এটি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়। চলুন, বাকি সময়টা একসঙ্গে উপভোগ করি। ”
তবে জুনের মাঝামাঝি শুরু হওয়া ক্লাব বিশ্বকাপে (১৪ জুন–১৩ জুলাই) তিনি সিটির হয়ে খেলবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা মেসি ও ডি ব্রুইনা কি একসঙ্গে মাঠ কাঁপাতে নামবেন? ফুটবলবিশ্ব তাকিয়ে আছে সেই সম্ভাবনার দিকে।
বিআলো/শিলি