• যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • সংবাদ দিন
  • ই-পেপার
    • ঢাকা, বাংলাদেশ

    মোঃ মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পত্তিতে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত 

     dailybangla 
    10th Feb 2026 6:47 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    লোকসানের গ্লাস কারখানা থেকে লাভজনক ওয়্যারহাউজ—এক সফল রূপান্তরের গল্প

    রুবিনা শেখ: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ

    ট্রাস্টের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ (হাইসন্স) দীর্ঘদিন লোকসানের বোঝা বহন করলেও বর্তমানে লাভের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এই ইতিবাচক পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মোঃ মাহবুবুর রহমান। তার দক্ষতা, দূরদর্শিতা ও দৃঢ় নেতৃত্বে একটি পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্পত্তি আজ পরিণত হয়েছে সম্ভাবনাময় ও টেকসই আয়ের উৎসে।

    গাজীপুরের টঙ্গী শিল্প এলাকায় ১ দশমিক ৭৭ একর জমির ওপর অবস্থিত বাংলাদেশ গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠানটি একসময় অবাঙালি মালিকানাধীন ছিল। ১৯৭৮ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এটি বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্বাধীনতার আগে এখানে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ইলেকট্রিক বাল্ব, টিউব লাইট ও পাইপ আমদানি ও বাজারজাত করা হতো। পরবর্তীতে ট্রাস্টের অধীনে কাঁচজাত বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন শুরু হলেও দীর্ঘদিন ধরে লোকসানের কারণে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে।

    লোকসানের কারণে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি লিজে দেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকায় জমিটি পুকুর, ডোবা ও নর্দমার মতো অবস্থায় পরিণত হয়। এলাকাবাসী সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলতে শুরু করে এবং পর্যাপ্ত তদারকির অভাবে জমিটি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। এতে করে জমি দখল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়, যা ট্রাস্টের জন্য একটি বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর মোঃ মাহবুবুর রহমান দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে আধুনিক ও মানসম্মত একটি ওয়্যারহাউজ নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এই ওয়্যারহাউজটি গাজীপুরের গার্মেন্টস ও শিল্প এলাকার জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    ট্রাস্ট সূত্রে জানা গেছে, এই ওয়্যারহাউজ থেকে প্রতিবছর প্রায় ১ দশমিক ৫ কোটি টাকা আয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেখানে আগে শুধু পাহারার পেছনে অর্থ ব্যয় হতো এবং কোনো রাজস্ব আসত না, সেখানে এখন একটি নিয়মিত ও স্থায়ী আয়ের উৎস সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের আর্থিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মোঃ মাহবুবুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের আওতাধীন সকল সম্পত্তির নিবিড় তদারকি নিশ্চিত করেছেন। তার উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে দখলকৃত সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করে আয় বৃদ্ধির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ট্রাস্টের আর্থিক ভিত্তি আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

    কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোঃ মাহবুবুর রহমান একজন সৎ, নীতিবান ও কর্মনিষ্ঠ কর্মকর্তা। তার সততা, দূরদর্শিতা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের কারণেই ট্রাস্টের সম্পদ আজ সুরক্ষিত হচ্ছে এবং সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে।

    একজন মুক্তিযোদ্ধা বলেন, “প্রত্যেকটা সেক্টরে যদি মোঃ মাহবুবুর রহমানের মতো নীতিবান সচিব থাকতেন, তাহলে বাংলাদেশ অনেক আগেই দুর্নীতিমুক্ত দেশে পরিণত হতো।”

    সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মোঃ মাহবুবুর রহমানের মতো দক্ষ ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ভবিষ্যতে আরও সাফল্য অর্জন করবে। একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। দেশের উন্নয়ন ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গঠনে তার মতো কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

    বিআলো/তুরাগ

    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    February 2026
    M T W T F S S
     1
    2345678
    9101112131415
    16171819202122
    232425262728