২৬তম সমাবর্তনে এনএসইউ স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের সম্মাননা
নিজস্ব প্রতিবেদক: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সফলভাবে ২৬তম সমাবর্তনের আয়োজন করে। এ সমাবর্তন বিশ্ববিদ্যালয় ও সদ্য স্নাতক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আরমান সমাবর্তনের সভাপতি (Convocation Chair) হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফয়েজ সমাবর্তন বক্তৃতা প্রদান করেন। এ ছাড়া ইউজিসি সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সমাবর্তনে মোট ৩ হাজার ৩২২ জন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে স্থাপত্য বিভাগ থেকে ৩৬ জন শিক্ষার্থী সফলভাবে স্নাতক সম্পন্ন করেন, যা বিভাগের একাডেমিক উৎকর্ষ ও পেশাগত মানদণ্ডের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
স্থাপত্য বিভাগের স্নাতকদের মধ্যে ৫ জন কুম লাউডে (Cum Laude), ৪ জন ম্যাগনা কুম লাউডে (Magna Cum Laude) এবং ১ জন সুম্মা কুম লাউডে (Summa Cum Laude) সম্মাননা অর্জন করেন। বিভাগের শিক্ষার্থী নাসিম ইকবাল চৌধুরী সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জন করে সুম্মা কুম লাউডে সম্মাননায় ভূষিত হন, যা একটি উল্লেখযোগ্য একাডেমিক সাফল্য।
অনুষ্ঠানে স্নাতক শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির একাডেমিক পরিবেশ ও শিক্ষা সহায়তার জন্য সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিশেষভাবে তারা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্সেস (SEPS)-এর ডিন অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসাইন, স্থাপত্য বিভাগের চেয়ারম্যান রাশিদিয়ার ইকবাল রাজ, সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. শরীফ শামস ইমন এবং অধ্যাপক মুজতিবা আরসানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। উক্ত শিক্ষকবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে স্নাতক শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণে অংশগ্রহণ করেন।
২৬তম সমাবর্তনে স্থাপত্য বিভাগের স্নাতকদের গৌরবময় অংশগ্রহণ ও উল্লেখযোগ্য অর্জন এনএসইউ’র সুদৃঢ় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। এই অঙ্গীকারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় গভীর একাডেমিক উৎকর্ষ, নৈতিক দায়বদ্ধতা ও উচ্চমানের পেশাগত দক্ষতায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে, যারা বাংলাদেশসহ বৈশ্বিক পরিসরে নির্মিত পরিবেশকে আরও মানবিক, টেকসই ও অর্থবহ করে তুলতে নেতৃত্ব দেবে।
বিআলো/শিলি



