দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: কমনওয়েলথ ৭২৩ জনের সমাধিস্থল
দর্শনার্থী ও পর্যটকরা নির্দেশনা মানছে না
উচ্ছৃষ্ট বর্জ্যে সমাধিস্থলটি অনেকটাই অবহেলিত
রতন বালো, কুমিল্লা ময়নামতি ঘুরে এসে: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নির্মম স্বাক্ষী কুমিল্লার ময়নামতি কমনওয়েলথ সমাধিক্ষেত্র। এখানে ঘুমিয়ে আছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৭২৩ জন সিপাহসালার। ঐতিহাসিক এই স্থানটি বর্তমানে অযত্নে আর অবহেলায় হারিয়ে যেতে বসেছে। ইতিহাসের স্বাক্ষী এই সমাধিস্থল সুরক্ষায় সরকারের গৃহিত পদক্ষেপ কোন কাজেই আসছে না। উল্টো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নানান উচ্ছৃষ্ট বর্জ্যে সমাধিস্থলটি এখন অনেকটাই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১২টি রাষ্ট্রের নিহত ৭২৩ জন সৈনিকের সমাধিস্থল দেশের অন্যতম একটি পুরাকীর্তি। অথচ সেই স্থানটি নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। যদিও সমাধিস্থলের বাইরে পর্যটকদের জন্য লিখা আছে অতীব জরুরি কিছু নির্দেশনা। কিন্তু কথায় আছে লিখে দিলাম কলার পাতে ঘুরে বেড়াগা পথে পথে। সাইনবোর্ডের নির্দেশনানুযায়ী সমাধিস্থলে প্রবেশ করে ময়লা, পানির বোতল ফেলা যাবে না। কিন্তু কেউ মানছে না সেই নির্দেশনা। আবার প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কোন কার্যকর উদ্যোগ নেই। ফলে দর্শনাথীরা ও পর্যটকরা এটিকে এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করেছে।
যদিও নির্দেশনায় বড় বড় অক্ষরে লিখা আছে, ঈদের ২দিন ব্যতীত সারাবছর সকাল ৭টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে ঐতিহাসিক এই সমাধিক্ষেত্র। মাঝে দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সাময়িক বিরতিতে সমাধিস্থল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু নিয়মগুলো সবই কাগজে কলমে তাই সবসময়ই উৎসুক মানুষের ভীড় থাকে। প্রতিদিন সকাল হলেই কমনওয়েলথ এর লোকজন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা শুরু করে। তারপরেও স্থানটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।
কুমিল্লা শহর হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে বুড়িচং উপজেলার কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় এই সমাধিস্থলের অবস্থান। গত ৬ জুলাই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধিস্থল দেখতে গিয়ে চট্টগ্রাম কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন এর কান্ট্রি ম্যানেজার মুফতাহুস সাত্তার হিল্লোল দুঃখ প্রকাশ করে পর্যটকদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ আনেন।

মি. সাত্তার বলেন, সমাধিস্থলে প্রবেশের নির্ধারিত সময়ের বাইরেও দেশের বিভিন্ন ব্যক্তিদের অনুরোধে সমাধিস্থল খুলে দিতে হয়। অর্থাৎ সমাধিস্থলের নিয়মের বাইরে পর্যটকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এসব করতে হয়। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, কোন সমাধিস্থলে কেউ গান বাজনা করতে পারে না। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার (ফেসবুকের লোকেরা) বেশি উৎপাত করে থাকেন। উল্টো-পাল্টা ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় তা পোস্ট করে। এ সময় তিনি আন্তর্জাতিক সমাধিস্থলের নিয়মনীতি মেনে চলার জন্য পর্যটকদের প্রতি অনুরোধ জানান।
ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রির কান্ট্রি এডমিনিস্ট্রেটিভ আব্দুর রহিম সবুজ বলেন, এই সমাধিস্থলে শীত মৌসুমে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ হাজার এবং বর্ষা মৌসুমে ৫’শ থেকে ১ হাজার পর্যন্ত দেশি-বিদেশি পর্যটক এখানে আসেন। মনোরম পরিবেশ ও সবুজের ছায়ায় পর্যটকরা মুগ্ধ হন।
তিনি জানান, ৬টি রাষ্ট্রের অনুদানে সমাধিক্ষেত্রটি আমাদের রক্ষণাবেক্ষণ করতে হয়। এর মধ্যে অধিকাংশ কবর হল সে সময়কার হাসপাতালের মৃত সৈনিকগণের। তাছাড়াও যুদ্ধের পর বিভিন্ন স্থান থেকে কিছু লাশ স্থানান্তর করেও এখানে সমাহিত করা হয়। বাহিনীর হিসাব অনুযায়ী এখানে রয়েছেন ৩ জন নাবিক, ৫৬৭ জন সৈনিক এবং ১৬৬ জন বৈমানিক। সর্বমোট ৭২৩ জন নিহতের পরিচয় লিপিবদ্ধ রয়েছে।
তিনি আরো জানান, ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, কুমিল্লাতে সমাহিত ব্যক্তিগণ যে সকল দেশের বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন, সেগুলো হলো— যুক্তরাজ্য ৩৫৭, কানাডার ১২, অস্ট্রেলিয়া ১২, নিউজিল্যান্ড ৪, দক্ষিণ আফ্রিকা ১, অবিভক্ত ভারত ১৭৮, রোডেশিয়া ৩, পূর্ব আফ্রিকা ৫৬, পশ্চিম আফ্রিকা ৮৬, বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) ১, বেলজিয়াম ১, পোল্যান্ড ১, জাপানের ২৪ জন।
তবে জাপান ২৪ জনের মরদেহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ডিএনএ স্ট্রেস করে নিয়ে গেছে। তিনি জানান, ‘অবিভক্ত ভারত’ বলতে বর্তমান সময়ের ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে নিয়ে যে বিশাল এলাকাকে বুঝায়। সমাধিক্ষেত্রটির প্রবেশমুখে একটি তোরণ ঘর, যার ভিতরের দেওয়ালে এই সমাধিক্ষেত্রে ইতিহাস ও বিবরণ ইংরেজি ও বাংলায় লিপিবদ্ধ করে একখানা দেওয়াল ফলক লাগানো রয়েছে। ভিতরে সরাসরি সামনে প্রশস্ত পথ, যার দুপাশে সারি সারি কবর ফলক। সৈন্যদের ধর্ম অনুযায়ী তাদের কবর ফলকে নাম, মৃত্যু তারিখ, পদবির পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতীক লক্ষ করা যায়। খ্রিস্টানদের কবর ফলকে ক্রুশ, মুসলমানদের কবর ফলকে আরবি লেখা (যেমন- হুয়াল গাফুর) উল্লেখযোগ্য। প্রশস্ত পথ ধরে সোজা চলে গেলে নজরে পড়বে নয়নাভিরাম একটি সিঁড়ি। তার উপরে শোভা পাচ্ছে খ্রিস্টধর্মীয় পবিত্র প্রতীক ক্রুশ। বেদির দুপাশে রয়েছে আরো দুটি তোরণ ঘর। এ সকল তোরণ ঘর দিয়ে সমাধিক্ষেত্রের পিছন দিকের অংশে যাওয়া যায়। সেখানেও রয়েছে আরো বহু কবর ফলক। প্রতি দুটি কবর ফলকের মাঝখানে একটি করে ফুলগাছ শোভা পাচ্ছে।
এছাড়া পুরো সমাধিক্ষেত্রেই রয়েছে প্রচুর গাছ। সমাধিক্ষেত্রের সম্মুখ অংশের প্রশস্ত পথের পাশেই ব্যতিক্রমী একটি কবর রয়েছে, যেখানে একসঙ্গে ২৩টি কবর ফলক দিয়ে একটা স্থানকে ঘিরে রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে যে ৪৫ হাজার কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন, তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মায়ানমার (তৎকালীন বার্মা), আসাম এবং বাংলাদেশে ৯টি রণ সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে।
বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণসমাধিক্ষেত্র আছে, যার একটি কুমিল্লায় এবং অপরটি চট্টগ্রামে। প্রতিবছর প্রচুর দেশি-বিদেশি দর্শনার্থী যুদ্ধে নিহত সৈন্যদের প্রতি সম্মান জানাতে এ সমাধিক্ষেত্রে আসেন।
১৯৪১ সনে বার্মার প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত ব্রিটিশ, ভাম ও স্থানীয় সৈনিকদের দু’টি দুর্বল ডিভিশনে সংগঠিত করা হয়; একটি রেঙ্গুনের দক্ষিণ দিকের প্রবেশপথ তার জন্য, অন্যটি যার সঙ্গে পরবর্তী কালে যুক্ত হয়। দু’টি চীনা সেনাবাহিনী মধ্য বার্মাকে পূর্ব দিকের আক্রমণ থেকে সংরক্ষার জন্যে।
১৯৪১ সনের মধ্য ডিসেম্বরে টেনেসারিম বিমান ক্ষেত্র দখলের মধ্য দিয়ে যে জাপানি হামলা শুরু হয়, তার উদ্দেশ্য ছিল চীনের অভিমূখে সময় সরবরাহের পথ বার্মা রোড বন্ধ করে দেওয়া। জাপান যুদ্ধরত ছিল চীনে ১৯৩৭ সন থেকে। ১৯৪২ সনের মধ্য জানুয়ারির প্রধান আক্রমণটি ৭ই মার্চ রেঙ্গুন পরিত্যাগ অপরিহার্য করে দিল। এমনি ভাবে একই সঙ্গে মূল ঘাটি ও ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ রেখা হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে ব্রিটিশ ভারতীয় বাহিনী সুশৃঙ্খলভাবে উত্তরে ইরাবতী ও সত্তাং উপত্যকার পথে মান্দালয় এবং সেখান থেকে চিন্ডুয়িন উপত্যকা দিয়ে মে মাসের শেষ ভাগে ভারতে পশ্চাদপসরণ করে। বাম দিকে চীনারাও সালউইন উপত্যকা দিয়ে ইউনানে পিছিয়ে যায়।
এরপর বর্ষাকাল সমাগত হলে কিছু টহলদারী তৎপরতা ছাড়া ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত অন্য সব রকম সামরিক কার্যকলাপ বন্ধ থাকে। ১৯৪৩ সনে দু’টি আক্রমণাত্মক হামলা হয়। আকিয়ার পুনরুদ্ধারের একটি প্রচেষ্টা শুরু হয়। ১৯৪২ সনের ডিসেম্বর মাসে প্রাথমিক কিছু সাফল্যও অর্জিত হয়, কিন্তু পরবর্তী ছয় মাসে এটি প্রতিহত হয়।
দ্বিতীয়ত, বিমান বাহিনীর সরবরাহের উপর নির্ভরশীল “চিভিটস্তমম্ভ” নামে পরিচিত দূর পাল্লার ভেনকারী দলটি খণ্ড খণ্ড বুহ্যে বিভক্ত হয়ে তৎপরতা চালিয়ে জাপানি সেনা সমাবেশের পশ্চাতে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি সাধনে সমর্থ হয়।
এই তৎপরতার পাশাপাশি সমস্ত রণাঙ্গন জুড়ে অন্যান্য সশস্ত্র সংগঠনের আক্রমণাত্মক টহলদারীর একটি সাফল্যজনক নীতির সঙ্গে সমন্বিত হয়। ভারতে বার্মায় অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত ডিভিশন সমূহের ব্যাপক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ভারতের অভ্যন্তরে সড়ক ও রেলপথের উন্নতি সাধিত হয় এবং নতুন নতুন বিমানক্ষেত্র নির্মাণ করা হয়। আকাশে ব্রিটিশ-ভারতীয় শক্তিশ্রেষ্ঠত্ব, রেঙ্গুনের পতনের পরে যা অবলুপ্ত হয়, ক্রমান্বয়ে পুনরজিত হতে থাকে। আসামের বিমানক্ষেত্রগুলি থেকে চীনে রসদ সরবরাহ পুনরায় চালু হয় গেলে একটি নতুন স্থল পথও খুলে দেওয়া হয়। চতুর্দশ সেনাবাহিনী পূর্ণ আত্মবিশ্বাসে প্রস্তুত হয়ে থাকে।
১৯৪৩ সনের ডিসেম্বর মাসে পঞ্চদশতম সেনাদল আরাকান রণাঙ্গনে আক্রমণ হানে। ১৯৪৪ সনের ফেব্রুয়ারির শুরুতেই সমাধি ফলকের চারিদিকে কেন্দ্রীয় রণাঙ্গন থেকে সংরক্ষিত অতিরিক্ত সৈনিকদের বের করে আনার লক্ষ্যে পরিচালিত একটি জাপানি পাল্টা-আক্রমণ নিশ্চিতভাবে প্রতিহত করা হয় এবং চার সপ্তাহ পরে পঞ্চদশতম সেনাদলতার অগ্রযাত্রা পুনরায় শুরু করে।
জাপানিদের প্রধান আক্রমণ সংঘটিত হয় কেন্দ্রীয় রণাঙ্গন বরাবর ১৯৪৪ সনের মে মাসের প্রথম দিকে। এর লক্ষ্য ছিল মিত্রবাহিনীর প্রত্যাশিত আক্রমণাত্মক তৎপরতাকে পর্যুদস্ত করা এবং আসামে অনুপ্রবেশ করে লেডো সড়ক এবং চীনে রসদ সরবরাহ করার জন্য ব্যবহৃত বিমান ক্ষেত্রগুলি বিধ্বস্ত করা। হামলাটি আগে থেকেই আঁচ করা হয়েছিল বলে চতুর্থ সেনাদলের তিনটি ডিভিশন তাদের নিজেদের পছন্দ করা মাঠে লড়াই করার জন্য নৈপুণ্যের সঙ্গে সমতল ভূমিতে পশ্চাদপসরণ করে।
পরবর্তী তিন মাসব্যাপী প্রচণ্ড যুদ্ধে চতুর্থ সেনাদল স্থলপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে বিমান পথে সৈন্য ও রসদ সরবরাহ করে তাদের শক্তিশালী করা হয়। উত্তরে কোহিমা ও অনুরূপভাবে শত্রু পরিবেষ্টিত হয় এবং এগার দিন অবরুদ্ধ থাকার পর ১৮ এপ্রিল শত্রু মুক্ত হয়। এই সময় এই ক্ষুদ্র সেনা ছাউনিটি একটি জাপানি ডিভিশনের তীব্র ও অবিরাম আক্রমণের মুখে স্বীয় অবস্থান অক্ষুণ্ন রাখে। একই ঐতিহাসিক প্রতিরোধ সৈন্যসাহায্য আসা এবং পাল্টা আক্রমণের জন্য কালক্ষেপণের সুযোগ দান করে।
১৯৪৪ সনের নভেম্বর মাসের শেষের দিকে মিত্র বাহিনী আক্রমণ করে উত্তর দিক থেকে, আর আরাকানে পঞ্চদশতম সেনাদল অনেকগুলি সম্মিলিত তৎপরতা সহকারে অগ্রসর হয়ে আকিয়াব ও রামরির বিমানক্ষেত্রগুলি দখল করে নেয়। মধ্য অঞ্চলে চতুর্থ ও তেত্রিশতম সেনাদল চিভউয়িন পার হয়ে দ্রুতবেগে ইরাবতীর দিকে অগ্রসর হয়, প্রচণ্ড লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে মিইকটিলা ও মান্দালয় অধিকার করে এবং বিধ্বস্ত জাপানি সেনাবাহিনীর পশ্চাদ্ধাবন করে ১লা মে ১৯৪৫ পেতে উপনীত হয়। পাঁচ দিন পরে এরা ওরাযে রেঙ্গুনে বিনা বাধায় অবতীর্ণ পঞ্চদশতম সেনাদলের সঙ্গে মিলিত হয়।
জাপানি সৈনিকদের মধ্যে যারা যুদ্ধে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিল, তারা তিনটি দলেবিভক্ত হয়ে সিতাং ও ইরাবতী উপত্যকা ধরে সমান্তরালভাবে অগ্রসর হয়ে পূর্ব দিকে পলায়নের চেষ্টা করে। তাদের বন্দী করার জন্য আরো যুদ্ধের প্রয়োজন ছিল, তবে ১৯৪৫ সনের আগস্ট মাসে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ বিরতির আগেই প্রকৃতপক্ষে সকল সামরিক তৎপরতা সমাপ্ত হয়।
তখনকার সময়ে স্বাধীনতা সংগ্রামী তথা বৃটিশ বিরোধীদের একটি বিখ্যাত ছড়া ছিল:
সারে গামা পাধানি
বোম ফেলেছে জাপানি
বোমের ভিতর কেউটে সাপ
ব্রিটিশ বলে বাপরে বাপ
বিআলো/তুরাগ