গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের কার্যক্রম বন্ধের উপক্রম, বিচারক সংকটে স্থবির বিচারব্যবস্থা
তৌফিকুল ইসলাম প্রধান (মহন),গোবিন্দগঞ্জ: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতে গত চার মাস ধরে বিচারক সংকট দেখা দেওয়ায় আদালতের কার্যক্রম প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়েছে। এতে করে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন এবং মামলার বিচার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি আদালত রয়েছে। একটি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং অপরটি সিনিয়র সহকারী জজ আদালত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের আগস্টের শেষের দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাজমুল হাসান অন্যত্র বদলি হন। এরপর থেকেই ওই আদালতে বিচারক সংকট দেখা দেয়। অপরদিকে, গত নভেম্বরের শেষ দিকে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক মিলন চন্দ্র পাল বদলি হলে সেখানেও একই সংকট তৈরি হয়।
দুই বিচারক বদলির পর গাইবান্ধা দ্বিতীয় আদালতের যুগ্ম জেলা জজ অলরাম কাজীকে গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের এবং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবরার ইয়াসির রুমিকে ভারপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তারা অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সপ্তাহে মাত্র একদিন, প্রতি বুধবার, গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান মুন্না জানান, বিচারক সংকটের কারণে বিভিন্ন মামলার বিচার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি/২৬) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শাহারিয়া আরাফাত (প্রশাসন) স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে গাইবান্ধার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এস এম গালিব হাসানকে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতে এবং বিচারক আবরার ইয়াসির রুমিকে গোবিন্দগঞ্জ সিভিল আদালতে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে তারা নিয়মিতভাবে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিআলো/ইমরান



