বারখাইন জামেয়া জমহুরিয়া কামিল মাদ্রাসার ৫৩তম সালানা জলসা সম্পন্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বারখাইন জামেয়া জমহুরিয়া কামিল মাদ্রাসার ৫৩তম সালানা জলসা গত ৩১ জানুয়ারি মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল খালেক শওকী (মা. জি. আ.)-এর সভাপতিত্বে এবং ক্বারি আব্দুল হালিম রেজভীর সঞ্চালনায় আয়োজিত মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব আবু তাহের মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা মোহাম্মদ জুলফিকার আলী চৌধুরী, মাওলানা আবুল আসাদ মোহাম্মদ জুবায়ের রেজভী ও অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন হাশেমী। এছাড়া প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মাওলানা মোহাম্মদ আশেকুর রহমান আল কাদেরী।
১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের সালানা জলসায় হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষের অংশগ্রহণে এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল খতমে খাজেগান, খতমে কুরআন মাজিদ, খতমে দোয়া ইউনুস, মজমুয়ায়ে সালাওয়াতে রাসূল (সা.) এবং খতমে বুখারী শরীফ।
এছাড়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পরিবেশিত আকর্ষণীয় ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বার্ষিক দেয়ালিকা ‘জমহুরিয়ার রেনেসাঁ’-এর তৃতীয় সংখ্যার প্রদর্শনী উপস্থিত সুধীজনের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল খালেক শওকী মাদ্রাসার অনন্য শিক্ষা পদ্ধতি ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে বলেন, “আমাদের মাদ্রাসা কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি আত্মিক উন্নতির একটি কেন্দ্র।”
তিনি আরও বলেন, “প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর খতমে খাজেগান, দরুদ শরীফ ও পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতি বৃহস্পতিবার শেষ রাতে শিক্ষার্থীদের আত্মশুদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত জিকির মাহফিলের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি দরসে নেজামীর মাধ্যমে কুরআন ও হাদিস অনুধাবনের মৌলিক কিতাবসমূহ অত্যন্ত নিবিড় পরিচর্যার সঙ্গে পাঠদান করা হয়ে থাকে।”
বিআলো/তুরাগ



