জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান ‘টপ এমপ্লয়ার’ হিসেবে স্বীকৃত
নিজস্ব প্রতিবেদক: টপ এমপ্লয়ার ইনস্টিটিউট কর্তৃক জেটি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের ‘নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার’ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। কর্মীদের জন্য ইতিবাচক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উচ্চমানের কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির দৃঢ় অঙ্গীকারের স্বীকৃতি হিসেবে এই অর্জনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে, একটি আদর্শ কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে জেটি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেড কতটা নিবেদিত। প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবসম্পদ নীতি, কার্যকর ডিজিটাল টুলস এবং এমন একটি সাংগঠনিক সংস্কৃতি, যা উচ্চ কর্মদক্ষতা, লক্ষ্যনিষ্ঠতা ও পেশাগত উৎকর্ষতাকে উৎসাহিত করে।
কর্মপরিবেশ উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়—সুস্পষ্ট ও সহজলভ্য নেতৃত্ব, ধারাবাহিক শেখা ও বিকাশের সুযোগ, কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা এবং সক্রিয় সম্পৃক্ততা। বৈশ্বিক সেরা চর্চা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এসব নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং বাংলাদেশের স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এ অর্জন সম্পর্কে জেটি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেডের পিপল অ্যান্ড কালচার ডিরেক্টর ইয়াসিন খাব্বাজ বলেন,
“টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া এবং দেশের নম্বর ওয়ান অবস্থান অর্জন প্রমাণ করে যে, আমাদের সব কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন আমাদের কর্মীরা। প্রতিষ্ঠানে যোগদানের শুরু থেকে ক্যারিয়ার বিকাশের প্রতিটি ধাপকে সহজ, ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শেখার পরিবেশ, অগ্রগতি ও সম্পৃক্ততার বাস্তব সুযোগ তৈরি করে আমরা কর্মীদের সর্বোচ্চ সক্ষমতা কাজে লাগাতে সহায়তা করি।
ভবিষ্যতেও এই চর্চাগুলো আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করতে আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাব।”
উল্লেখ্য, টপ এমপ্লয়ার স্বীকৃতি একটি মর্যাদাপূর্ণ বৈশ্বিক মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রদান করা হয়। কৌশল, নেতৃত্ব, সাংগঠনিক উন্নয়ন, প্রতিভা আকর্ষণ, প্রশিক্ষণ, ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং সামগ্রিক কর্মী অভিজ্ঞতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সূচকে অসাধারণ পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই জেটি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের শীর্ষস্থান অর্জন করেছে।
বিআলো/তুরাগ



