• যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • সংবাদ দিন
  • ই-পেপার
    • ঢাকা, বাংলাদেশ

    নামাজে গিয়ে রক্তভেজা শরীরে মায়ের কোলে ফিরল সাইমন 

     dailybangla 
    25th Sep 2024 3:37 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, চাঁদপুর: এশার নামাজ পড়তে গিয়ে সাইমন মায়ের কোলে ফিরলেন রক্তভেজা শরীরে। কান্নায় বার বার ভেঙে পড়ছেন সাইমনের মা। বলতে চাইলেন আমার ছেলেকে কেনো নির্মমভাবে হত্যা করেছে। এভাবে ১৬ বছর বয়সী কিশোর ছেলে হত্যার বর্ণনা দিলেন তার মা।

    গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার মকিমাবাদ বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত কিশোর সাইমনের মা বিউটি আক্তার। প্রতিদিনই এশার নামাজ আদায় করতে মসজিদে যাওয়ার সময় বলে যায়। এদিনও মসজিদে গিয়েছিলো কিন্তু আমার কাছে বলে যায়নি। তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি এলাকায়। রাত ৮টার পরে লোকজন বাসার সামনে নিয়ে আসে। কিন্তু রক্তভেজা শরীরে। এসব কথা বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন সাইমনের মা।

    গত রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সাইমনের গ্রামের বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের দিকদাই গ্রামের সরদার বাড়িতে তাকে দাফন করা হয়। এদিকে সাইমন হত্যার ঘটনায় জনৈক সাইফুল ইসলাম নামে মামা পরিচয়ের ব্যক্তি হাজীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক। তিনি বলেন, মামলায় ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

    বিউটি আক্তার বলেন, স্বপ্ন ছিলো ছেলে কোরআনের হাফেজ হবে। যে কারণে গত দুই বছর আগে এলাকার সাউদুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসায় ভর্তি করাই। সেখানে হিফজ বিভাগে পড়াশুনা করত সাইমন। তিনি বলেন, সাইমনের বয়স যখন ৯ বছর। তখন তার পিতা সাইফুল ইসলাম আমাদের ছেড়ে চলে যান। তিনি অন্যত্র বিয়ে করেন। আমার সাথে ডিভোর্স হয়। ওই বয়সে সাইমনকে নিয়ে আমি বাপের বাড়িতে চলে আসি। গত ৩ বছর পূর্বে মো. ইউনুছের সাথে বিয়ে হয় আমার।

    সাইমনের বর্তমান বাবা ইউনুছ বলেন, সাইমুন হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক জামে মসজিদে এশার নামাজ পড়তে আসে। আমিও সেখানে এশার নামাজ আদায় করতে যাই। ৪ রাকাত নামাজ শেষে একজন পরিচিত ব্যাক্তি ফোন দিয়ে জানালো সংঘর্ষে সাইমন আহত হয়েছে। তখন দুই গ্রুপের সংঘর্ষের মাঝে অনেক কষ্ট করে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাই। সেখান থেকে কুমিল্লা রেফার করে। রাতেই কুমিল্লা থেকে পাঠায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসারত অবস্থায় শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ৭টায় সাইমন মারা যায়। সেখানে হাসপাতালের খরচ আসে সব মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার টাকা। অভাবের সংসারে আমাদের সামর্থ্য না থাকায় এলাকার লোকজনের সহযোগিতায় হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে ঢাকা থেকে চাঁদপুরে আসি।

    বিআলো/তুরাগ

    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    M T W T F S S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031