• যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • সংবাদ দিন
  • ই-পেপার
    • ঢাকা, বাংলাদেশ

    নীলফামারীতে তিস্তা সেচ ক্যানেলের বাঁধ ভেঙে ফসলি জমি পানির নিচে 

     dailybangla 
    19th Jan 2026 9:20 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    নাজমুল হুদা, নীলফামারী: নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পের দিনাজপুর ক্যানেলের বাঁধ ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সরিষা, বোরো বীজতলা, আলু, ভুট্টা ও বিভিন্ন রবি শস্যের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়া এলাকায় দিনাজপুর ক্যানেলের বাম তীরের বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনে ক্যানেলের অন্তত ২০ ফুট অংশ বিধ্বস্ত হয়ে পানি আশপাশের ফসলি জমিতে ঢুকে পড়ে।

    স্থানীয় কৃষকরা জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ১৫ জানুয়ারি থেকে সেচ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। সেচের পানিতে বোরো চারা রোপণসহ অন্যান্য ফসল সেচ দেওয়া হচ্ছিল। হঠাৎ বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে পড়ায় তাদের ফসল ধ্বংস হয়ে গেছে। কিছু কৃষক বলছেন, ২০১৫ ও ২০২৪ সালে একই ক্যানেলের বাঁধ ভেঙে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, কিন্তু সঠিক সংস্কার হয়নি।

    সিংদই গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আমার ১০ বিঘা জমির ফসল পুরোপুরি পানির নিচে। এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে আলু আবাদ করেছিলাম, সব শেষ হয়ে গেছে।”

    ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা নীলফামারী–পঞ্চপুকুর সড়ক অবরোধ করে ক্ষতিপূরণের দাবি জানান। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান ঘটনাস্থলে গেলে কৃষকেরা বিক্ষোভ দেখান।

    নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাঁধের মধ্যে ইঁদুরের গর্তের কারণে ভাঙন হয়েছে। দ্রুত ভাঙনস্থল মেরামত করে সেচ কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হবে। তবে রংপুর ও বগুড়া ক্যানেলে সেচ স্বাভাবিক রয়েছে।

    উল্লেখ্য, চলতি খরিপ-১ বোরো মৌসুমে তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প থেকে ১৫ জানুয়ারি থেকে সেচ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নীলফামারীতে ৩৭,৩০০ হেক্টর, রংপুরে ১২,৫০০ হেক্টর এবং দিনাজপুরে ৭,২০০ হেক্টর জমিতে সেচ দেওয়া হবে। চলতি মৌসুমে মে মাস পর্যন্ত কৃষকরা তিস্তার সেচ সুবিধা পাবেন।

    বিআলো/ইমরান

    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    M T W T F S S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031