পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের
গোবিন্দগঞ্জে আইনি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে জমিতে হালচাষ
তৌফিকুল ইসলাম মহন, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) : গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় বিরোধপূর্ণ জমিতে চাষাবাদকে কেন্দ্র করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ও ১৪৫ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দাবি করে রফিকুল ইসলাম গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
এর আগে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের বিশুবাড়ি গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিশুবাড়ি গ্রামের মৃত বুদা মামুদ গাছুর ছেলে রফিকুল ইসলামের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত নূরুল হকের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার মধ্যে প্রায় ৩১ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
এ নিয়ে গত মাসের ১৪ তারিখে রফিকুল ইসলাম গাইবান্ধা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন যেখানে মোস্তফাসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
পরবর্তীতে ওসি মোজাম্মেল হকের নির্দেশে এএসআই শরৎ চন্দ্র গত ২ ফেব্রুয়ারি উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদান করেন। অভিযোগকারী রফিকুল ইসলাম বলেন, নোটিশ জারির পরও গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মোস্তফার নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল বিরোধপূর্ণ জমিতে হালচাষ করে ইরি ধানের চারা রোপণ করে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও তাৎক্ষণিক কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
তবে এএসআই শরৎ চন্দ্র জানান, খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে চাষাবাদ বন্ধ করার নির্দেশ দেন এবং মামলার বাদীকে ১৮৮ ধারায় আদালতে পিটিশন দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা দাবি করেন, জমিটি উভয় পক্ষের অংশীদারিত্বের এবং তাদের অংশের জমিতে তারা চাষাবাদ করেছেন। তবে আদালতের রায়ে জমি রফিকুল ইসলামের অনুকূলে গেলে তারা তা ছেড়ে দিতে প্রস্তুত আছেন বলেও জানান তিনি।
বিআলো/আমিনা



