বর্ণিল আয়োজনে দি ক্যাপিটাল রিক্রিয়েশন ক্লাবের বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা
জ. ই. বুলবুল: জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত অভিজাত সামাজিক সংগঠন দি ক্যাপিটাল রিক্রিয়েশন ক্লাব-এর বার্ষিক বনভোজন ও বর্ণিল মিলনমেলা–২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকার অদূরে গাজীপুরের রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলেজ সেন্টার-এ শনিবার দিনব্যাপী এই বনভোজন ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে সকাল থেকেই অনুষ্ঠানস্থল পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।
সকালে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আবুল হোসেনসহ ক্লাবের নেতৃবৃন্দ বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় ক্লাবের পরিচালকবৃন্দ, সদস্যদের পরিবার-পরিজন ও স্বজনসহ প্রায় শতাধিক অতিথির উপস্থিতিতে রিসোর্ট প্রাঙ্গণ উৎসবে মুখর হয়ে ওঠে।
সকালের নাশতার পর শুরু হয় বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। নামাজের বিরতির আগ পর্যন্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিল—
৬–৯ বছর বয়সী বালকদের ৩০ মিটার দৌড়,
৯–১২ বছর বয়সী বালকদের ৩০ মিটার দৌড়,
৬–৯ বছর বয়সী বালিকাদের দৌড়,
৯–১২ বছর বয়সী বালিকাদের দৌড়,
মহিলাদের চেয়ার পাসিং ও দৌড় এবং
পুরুষদের দৌড় প্রতিযোগিতা।
অনুষ্ঠানস্থলের মূল মঞ্চ ও আশপাশে সকাল থেকেই বিক্রি হতে থাকে আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র-এর টিকিট। প্রথম পুরস্কারের আকর্ষণে সদস্য ও অতিথিরা উৎসাহের সঙ্গে টিকিট সংগ্রহ করেন।
মধ্যাহ্নভোজ বিরতির পর বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিশিষ্ট সংগীতশিল্পীদের নেতৃত্বে শিল্পীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে চলতে থাকে লাকি কুপন বিক্রি। র্যাফেল ড্র-এ মোট ৫০টি আকর্ষণীয় পুরস্কার রাখা হয়।
এছাড়াও শিশুদের জন্য ছিল নানা ধরনের খেলাধুলার সামগ্রী। অতিথিদের আপ্যায়নে চা-কফির পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় ঝালমুড়ি, চটপটি, ফুচকা, হাওয়াই মিঠাই, চিকন জিলাপি, খইসহ নানা মুখরোচক খাবার।
অনুষ্ঠান সম্পর্কে প্রতিক্রিয়ায় ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা আমাদের সংগঠনের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। এই আয়োজন সদস্যদের একঘেঁয়ে জীবন থেকে বের করে এনে ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে।
অনুষ্ঠান শেষে তিনি ক্লাবের ডিরেক্টর, অ্যাডমিন, পিকনিক উদযাপন কমিটির সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক দায়িত্ব পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও বলেন, শীতকালীন বনভোজন আয়োজন সবার জন্যই প্রয়োজন। এবারের অনুষ্ঠানটি ছিল উপভোগ্য ও স্মরণীয়।
বিআলো/ইমরান



