বাহারি পিঠার মেলায় আমাদের সময়ে ‘পিঠা ও বাউল উৎসব’ অনুষ্ঠিত
‘পিঠা ও বাউল উৎসব’-এ স্বাদের ছোঁয়া ও বাউলের মাধুর্য একসাথে
হৃদয় খান: শীতের সন্ধ্যা। বাতাসে ভাসছে পিঠার মিষ্টি সুবাস আর কানে বাজছে বাউলের সুর। বাঙালির প্রাণের ঐতিহ্যবাহী পিঠা এবার রঙিন উৎসবে পরিণত হয়েছে ‘আমাদের সময়’-এর আয়োজনে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রথিতযশা রন্ধনশিল্পীরা তাঁদের বাহারি স্বাদের পিঠা নিয়ে হাজির হয়েছেন এই জমকালো আয়োজনে।
উৎসবটি আজ বিকাল ৩টা থেকে শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দৈনিক আমাদের সময়ের সম্পাদক মো. শাখাওয়াত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকছেন রন্ধন বিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা রীতা, ফ্যাশন ডিজাইনার ও ‘বিশ্ব রঙের’ স্বত্বাধিকারী বিপ্লব সাহা, বিশিষ্ট মডেল ও উপস্থাপক শারমিন লাকী, এবং বিউটি এক্সপার্ট ও উদ্যোক্তা আফরোজা পারভীন।
দৈনিক আমাদের সময়ের কর্মকর্তা ও সম্পাদকবৃন্দও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে আছেন নির্বাহী সম্পাদক নজরুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত বার্তা সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, সম্পাদকীয় বিভাগের প্রধান এমিলিয়া খানম, প্রধান প্রতিবেদক সাজ্জাদ মাহমুদ খান, বিজ্ঞাপন বিভাগের প্রধান কার্তিক দাস, হিসাব বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ নুরুল আবছার এবং ফটো সাংবাদিক ওমর ফারুক টিটু।
উৎসবে অংশ নিয়েছেন প্রায় ত্রিশ জনেরও বেশি রন্ধনশিল্পী, যারা বিভিন্ন ধরনের দেশীয় পিঠা পরিবেশন করেছেন। পিঠার মধ্যে রয়েছে ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা পিঠা, মালপোয়া, লবঙ্গ লতিকা, ক্ষীরক কুলি পিঠা, নকশী পিঠা, পাকন পিঠা, দুধ পুলি, ঝিনুক পিঠা, গোলাপ পিঠাসহ আরও নানা স্বাদের পিঠা।
পিঠা প্রস্তুতকারীদের মধ্যে ছিলেন শাহনাজ ইসলাম, নাজিয়া ফারহানা, কাকলী সাহা, কানিজ ফাতেমা রুমা, ফারজানা বাতেন, সীমা পুষ্প, কোহিনূর বেগম, ফেরদৌস আরা অনা, তাসনুভা ইসলাম, উম্মে সালমা, শামসুন নাহার আহমেদ মিতা, নাজমা আক্তার, মেহেরুন নেসা ঈশিকা, নিপা ইসলাম, শাহিন সুলতানা মুনা, শারমীন ইসলাম, ইভা বিনতে সারোয়ার, মুর্শিদা সুলতানা তুলু, তাসনিম জাহান, সাদিয়া আফরিন, জিনিয়া ফয়সল, তৃপ্তি রানী বাড়ুই, সুরভী ইসলাম, মেরিনা সুলতানা, এনি সাহা এবং কানিজ ফাতেমা।
শুধু স্বাদই নয়, উৎসবকে করেছে আরও রঙিন বাউল সঙ্গীত। পিঠার মিষ্টি সুবাস আর বাউলের সুর মিলিয়ে তৈরি হয়েছে শীতের সন্ধ্যায় এক অনন্য সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা, যা উপস্থিত সবাইকে আনন্দিত করেছে।
উৎসবের এই আয়োজন বাঙালির পিঠা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে প্রাণবন্ত রাখার পাশাপাশি দর্শকদের জন্য হয়ে উঠেছে এক চমৎকার বিনোদনের জায়গা।
বিআলো/তুরাগ



